• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ১১ কার্তিক ১৪২৭, ৯ রবিউল ‍আউয়াল ১৪৪২

রোহিঙ্গা শিবিরের জীবন সংগ্রাম নিয়ে চলচ্চিত্রের উদ্বোধনী প্রদর্শনী আজ

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯

রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের অভ্যন্তরীণ জীবন-সংগ্রাম ও তাদের জন্মভূমিতে ফিরে যাওয়ার আকুতি নিয়ে নির্মিতি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘নিগ্রহকাল’ বা ‘লং প্রিয়ড অব পারসিকিউশিন’র উদ্বোধনী প্রদর্শনী হবে আজ। গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানানো হয়। আইসিএলডিএসের নিবেদনে এবং ইমাশন ক্রিয়েটরের প্রযোজনায় ৮৪ মিনিট ব্যাপ্তির এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন প্রসূন রহমান।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আইসিএলডিএসের নির্বাহী পরিচালক মেজর জেনারেল আবদুর রশিদ, আইসিএলডিএসের পরিচালক ও ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত এবং একাত্তর টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল বাবু।

চলচ্চিত্র মুক্তি পাওয়া প্রসঙ্গে প্রসূন রহমান বলেন, জীবনঘনিষ্ঠ বা বাস্তবধর্মী চলচ্চিত্র তো এই দেশে এমনিতেই বেশি সিনেমা হলে জায়গা পায় না। তাই মাল্টিপ্লেক্স বা সিনেপ্লেক্সগুলোতেই মুক্তি দেয়ার চেষ্টা করেছি আমরা। এরপর হয়তো শহরের বাইরে এবং দেশের বাইরে মুক্তি দেয়ার চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি বেশ কিছু আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবেও অংশগ্রহণ করবে প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটি।

‘নিগ্রহকাল’ সম্পর্কে প্রসূন বলেন, মায়ানমার সরকার ২০১৭ সালের আগস্টে রোহিঙ্গাদের ওপর ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চালালে জীবন বাঁচানোর জন্য প্রায় ১১ লাখ শরণার্থী নিজেদের জন্মভূমি ছেড়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। বাংলাদেশ সরকার মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদের আশ্রয় দেয়। কিন্তু তারাই এ দেশের জন্য একটি বড় সংকট তৈরি করেছে। এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিতে গিয়ে বাংলাদেশ যে বিপুল ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে, মূলত এই বিষয়গুলোই আমি বিস্তারিত তুলে ধরার চেষ্টা করেছি এই ডকুফিল্মটিতে।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে এ দেশে অনেক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে কিন্তু সবগুলোই খণ্ড খণ্ড। আইসিএলডিএসের সহযোগিতায় আমি চেষ্টা করেছি সম্পন্ন একটি চিত্র তুলে ধরতে। আমরা সাতটি খণ্ডে এটি নির্মাণ করেছি। সেখান থেকেই ৮৪ মিনিটে উদ্বোধনী প্রদর্শনী করা হবে।

চলচ্চিত্রটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী হবে আজ সন্ধ্যা ৬টায়, মহাখালী এসকেএস টাওয়ারের স্টার সিনেপ্লেক্সে। উদ্বোধনী প্রদর্শনীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মেজর তারিক আহমেদ সিদ্দিকী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। এ ছাড়াও থাকবেন বাংলাদেশের সাংবাদিক, কূটনীতিবিদ, গবেষক, ইতিহাসবিদ ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।