• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ০৩ জুন ২০২০, ২০ জৈষ্ঠ ১৪২৭, ১০ শাওয়াল ১৪৪১

রিমান্ড শেষে কারাগারে সম্রাট

সংবাদ :
  • আদালত বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৯

রাজধানীর রমনা থানার অস্ত্র ও মাদক মামলায় ১০ দিন রিমান্ড শেষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল ঢাকা মহানগর হাকিম বাকী বিলালাহ তার জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন। এর আগে ১০ দিন রিমান্ডে শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামি সম্রাটকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। এর আগে গত ১৫ অক্টোবর অস্ত্র মামলায় পাঁচ দিন ও মাদক মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেয়ার অনুমতি দিয়েছিলেন আদালত।মামলা সুত্রে জানা গেছে, গত ৬ অক্টোবর সম্রাট ও তার এক সহযোগী যুবলীগের সহসভাপতি এনামুল হক আরমানকে কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার করা হয়। সেখান থেকে তাদের ঢাকায় আনা হয়। এরপর র‌্যাব সম্রাটকে নিয়ে তার কাকরাইলের কার্যালয়ে অভিযান চালায়। সম্রাটের কার্যালয়ে ক্যাঙারুর দুটি চামড়া, মাদকদ্রব্য, অস্ত্র পাওয়া যায়। এ ঘটনায় র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত সেদিন তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন। আটকের সময় মদ্যপ থাকায় সম্রাট ও আরমানকে ছয় মাস করে কারাদন্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় র‌্যাব বাদী হয়ে সম্রাটের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র আইনে পৃথক দুটি মামলা করে। মাদক মামলায় অভিযোগ করা হয়, রাজধানীর কাকরাইলে সম্রাটের কার্যালয় থেকে ১৯ বোতল বিদেশি মদ, চার প্যাকেট তাস ও ১ হাজার ১৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি সম্রাট। প্রাথমিক তদন্তে আসামিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত মর্মে প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। আরমান সম্রাটের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং অবৈধ মাদকের যোগানদাতা। অস্ত্র মামলায় অভিযোগ করা হয়, ৬ অক্টোবর ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লা থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী আরমানকে আটক করা হয়। আটকের সময় আরমান মাতাল থাকায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদে জানান, কাকরাইলের অফিসে আরো মাদকদ্রব্য ও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রসহ তার সহযোগীরা অবস্থান করছে। সে সংবাদ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে বেলা ১টার দিকে কাকরাইল অফিসে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। স্ম্রাটের বেড রুমের জাজিমের ওপরে তোষকের নিচ থেকে পাঁচ রাউন্ড গুলি ভর্তি একটি ম্যাগজিনসহ একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। রুম থেকে দুটি ইলেকট্রিক শক মেশিন ও দুটি লাঠি উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আসামি উদ্ধার করা আগ্নেয়াস্ত্রের কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।