• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ২৩ ফাল্গুন ১৪২৭ ২৩ রজব ১৪৪২

রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশ সঠিক পথে আছে

তোফায়েল

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ঘোষিত রায় নিয়ে রাজপথে বিএনপির আন্দোলনকে আদালত অবমাননার শামিল বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশ সঠিক পথে আছে। খালেদার রায় নিয়ে বিএনপি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ ও গণস্বাক্ষরের মতো কর্মসূচি দিয়েছে। রাজপথে তাদের এ আন্দোলন আদালত অবমাননার শামিল।

গতকাল বাংলাদেশ সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী এবং ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সিপ্পোর সঙ্গে মতবিনিময় করে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শুভাশীষ বসু উপস্থিত ছিলেন।

রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশ সঠিক পথে আছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তোফায়েল আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ এক্ষেত্রে রাইট ট্র্যাকে আছে। আমি জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধিকে এমন বার্তা জানিয়েছি। এছাড়া ২০১৩-১৫ সালে রাজনৈতিক দলগুলো যে জ্বালাও-পোড়াও করেছে তা ভুল ছিল। রাজনৈতিক দলগুলো সেটা বুঝতে পেরেছে। এ কারণেই তারা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছে। দলের নেত্রীর জন্য তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছে। এক্ষেত্রে সরকার কিছুই বলবে না। দেশে বর্তমানে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আছে। আদালতের রায় নিয়ে রাস্তায় আন্দোলন-সংগ্রাম করা আদালত অবমাননার শামিল। রাজনৈতিক আন্দোলনের নামে যদি আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটে, জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে আসে, তাহলে পুলিশ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ অর্থনীতিসহ সব ক্ষেত্রে সঠিক পথে এগিয়ে যাচ্ছে। জাতিসংঘ বাংলাদেশে উন্নয়নের প্রশংসা করেছে। আর কিছুদিনের মধ্যে বাংলাদেশ নিম্নআয়ের দেশে থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবে, এ জন্য বাংলাদেশকে অগ্রীম অভিনন্দজন জানায় জাতিসঙ্গের সমন্বয়কারী। একই সঙ্গে বাংলাদেশ মানবিক কারণে মায়ানমার থেকে আগত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে, এজন্য জাতিসংঘসহ সারা বিশ^ বাংলাদেশের প্রশংসা করেছে। বিভিন্নভাবে সহায়তা প্রদান করছে। বাংলাদেশ সফলভাবে এমডিজি অর্জন করায় জাতিসংঘ বাংলাদেশকে পুরষ্কৃত করেছে। এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশ সঠিক পথেই এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হলে জিএসপি সুবিধা পাবে, এজন্য বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু করেছে। যে সব দেশ জিএসপি বাণিজ্য সুবিধা প্রদান করে না, সে দেশের সঙ্গে বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি করছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের টেকসই প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের প্রতিনিধি। তাকে আমি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক অগ্রগতির বিষয়টি অবহিত করেছি। এছাড়া, উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার জন্য যে তিন শর্ত পূরণ করতে হয়, বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই তা পূরণ করেছে বলে জানিয়েছি। ২০৫০ সালে ২২তম ও ২০৪০ সালে ২৮তম অর্থনৈতিক দেশ হবে বাংলাদেশ। বৈঠকে জাতিসংঘের প্রতিনিধি রোহিঙ্গা নিয়ে বাংলাদেশের উদ্যোগ, সবক্ষেত্রে সঠিক পথে থাকার ও নারীর ক্ষমতায়নের প্রশংসা করেন।