• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, ১২ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৮ জমাউস সানি ১৪৪০

যশোর জেলা পরিষদ ভবন ভাঙা যাবে না

সংবাদ :
  • যশোর অফিস

| ঢাকা , মঙ্গলবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

‘সংবাদ’এ প্রকাশিত ‘ঐতিহ্যের স্মারক জেলা পরিষদ ভবন ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ সুশীল সমাজ’ শীর্ষক খবরের তদন্ত গতকাল বিকেলে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে সম্পন্ন হয়েছে। তদন্ত কাজ পরিচালনা করেন স্থানীয় সরকারের পরিচালক (খুলনা বিভাগ) হোসেন আলী খোন্দকার। খবরটি ১৭ জানুয়ারি প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত খবরের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় বিভাগের উপসচিব ড. জুলিয়া মঈন এক চিঠিতে বিষয়টি খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে তদন্ত করে সাতদিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলেন।

তদন্তানুষ্ঠানে প্রতিবেদক ও যশোরের ঐতিহ্য রক্ষা সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক রুকুনউদ্দৌলাহ’র জবানবন্দি নেয়া হয়। একই সঙ্গে সংগ্রাম কমিটির সদস্য সচির ও যশোর শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহমুদ হাসান বুলুও জবানবন্দি দেন।

তদন্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন দৈনিক ইত্তেফাকের স্টাফ রিপোর্টর ফারাজী আহমেদ সাঈদ, সত্যপাঠ সম্পাদক হারুণ অর রশিদ, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ নেতা তসলিমুর রহমান, অ্যাডভোকেট আবু মুরাদ, প্রেসক্লাব সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় পত্রিকার সম্পাদক, আইনজীবী, সাংস্কৃতিক কর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সবাই তাদের বক্তব্যে দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, যশোর জেলা পরিষদ ভবনটি ইতিহাস ঐতিহ্যের স্মারক, যুক্তবাংলার প্রথম জেলা যশোরের দ্বিতীয় প্রশাসনিক ভবন, এটি কোনক্রমেই ভাঙা যাবে না, যদি সংস্কারের প্রয়োজন হয় তা হলে মূল অবয়ব ঠিক রেখে তা করতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে যশোরবাসী মেনে নেবে না। ভরন রক্ষায় প্রয়োজনে আন্দোলনের বিস্তৃতি ঘটানো হবে। প্রশাসনিক ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য ১৯১৩ সালে এটি তৈরি করা হয়।