• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬ মহররম ১৪৪২, ০৭ আশ্বিন ১৪২৭

রংপুর

মিনু বেগমের খুনের প্রধান আসামি গ্রেফতার

সংবাদ :
  • লিয়াকত আলী বাদল, রংপুর

| ঢাকা , শনিবার, ২৩ মে ২০২০

রংপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সাবেক কর্মকর্তা মিনু বেগম (৬৫) হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কিলার আরমান হোসেনকে গ্রেফতার করেছে মেট্রোপলিটন কোতয়ালী থানা পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) শহিদুল্লাহ কাওছার। তিনি জানান, আরমান ভাড়াটিয়া খুনি হিসেবে টাকার বিনিময়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকলল্পনাকারীকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশ তৎপরতা চালাচ্ছে। পারিবারিক বিরোধের জেরে ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকে তাদের তদন্তকারী টিম সন্দেহজনক বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মূল আসামি আরমান হোসেনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আরমানকে জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে তার দেয়া তথ্যমতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকু, শ্বাসরোধে হত্যার কাজে ব্যবহৃত ওড়না, নিহত মিনু বেগমের ব্যবহৃত ২টি মোবাইল ফোনসহ অন্য গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, পারিবারিক বিরোধের জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করা হয়েছে। হত্যার পরিকল্পনাকারী নিজেকে কৌশলে আড়াল করে ভাড়াটে খুনিকে দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাকারীসহ জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

মেট্রোপলিটন কোতোয়ালী থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এরশাদ হোসেন জানান, মঙ্গলবার সকালে নগরীর মুলাটোল হকের গলি এলাকার নিজ বাড়ি থেকে মিনু বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি ওই এলাকার মৃত মমদেল হোসেনের স্ত্রী এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অডিট অফিসার হিসেবে চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করে একাকী ওই বাড়িতে বসবাস করতেন। এ ঘটনায় ওই নিহত মিনু বেগমের জামাই এনায়েত হোসেন মোহন বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। তবে পুলিশের একটি সূত্রে জানা গেছে, মূলত এ হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা এক মহিলাসহ কয়েকজন তারা পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করার জন্য খুনি আরমানকে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ভাড়া করে। এরপর আরমান তার সহযোগীদের নিয়ে মিনু বেগমকে হত্যা করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে খুনি আরমান স্বীকার করেছে কারা তাকে টাকার বিনিময়ে ভাড়া করেছিল, তাদের নাম বলেছে তবে পুলিশ তাদের নাম জানাতে রাজি হয়নি।