• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বৃহস্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৭ রবিউস সানি ১৪৪২

চট্টগ্রাম

মার্কেট খুলছে একদিকে প্রস্তুতি অন্যদিকে আতঙ্ক

সংবাদ :
  • চট্টগ্রাম ব্যুরো

| ঢাকা , বুধবার, ০৬ মে ২০২০

সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক তিনটি শর্ত জুড়ে আগামী ১০ মে শপিং মল খোলার কথা রয়েছে। পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে শপিংমল খোলার অনুমতি দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে, বড় শপিংমলের সামনে অবশ্যই হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করতে হবে, পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্য স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন ও ক্রেতাদের গাড়ি জীবাণুনাশক স্প্রেকরণ ও বিকেল ৫টার মধ্যে অবশ্যই বন্ধকরণ ইত্যাদি। গত সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আলাদা আদেশ জারি করে এ নির্দেশনা দিয়েছে।

এদিকে শপিংমল খোলার নির্দেশে ব্যবসায়ীরা প্রস্তুতি নিলেও তাদের মনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। আগত ক্রেতাদের নিয়ে তাদের এখন থেকে চিন্তার শেষ নেই। অন্যদিকে, মার্কেট খোলা রাখাকে সমর্থন দিতে পারেনি চট্টগ্রামের মানুষ। তাদের মতে এবার ঈদুল ফিতরের আনন্দ হবে ঘরোয়াভাবে। ঈদের কেনাকাটা করবে না বলে ফেসবুকে ঝড় ওঠে।

সাধারণ মানুষের মতে, চট্টগ্রাম মহানগরীর রেয়াজউদ্দিনবাজার, তামাকুন্ডি লেইনসহ বিভিন্নস্থানে মার্কেটের দোকানদার, কর্মচারীরা বেশিরভাগ সাতকানিয়া এলাকায়। সে এলাকায় করোনা আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে। এসব মার্কেট যদি খোলা থাকে তাহলে করোনার ঝুঁকি থেকেই যাবে। এ বিয়য়ে টেরি বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ আবদুল মান্নান জানিয়েছেন, সরকারি বিধি ব্যবস্থার ঘাটতি থাকলে কোন দোকান খোলা রাখা যাবে না।

এর আগে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে এক ভিডিও কনফারেন্সে ঈদের কেনাকাটার জন্য দোকানপাট সীমিত আকারে খোলা রাখার নির্দেশনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মহামারী পরিস্থিতিতে আমরা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছি বলেই অন্য দেশ থেকে ভালো আছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন দেশের অর্থনীতির চাকাও ঠিক রাখতে হবে। এজন্য সীমিত আকারে ব্যবসা-বাণিজ্য ও অফিস-আদালত খুলে দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। অফিস-আদালত সীমিত আকারে খুলে দেয়া হচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে কিছু কিছু পোশাক কারখানা খুলে দেয়া হয়েছে। বাকিগুলোও ধীরে ধীরে খুলে দেয়া হবে।