• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ১২ জুলাই ২০২০, ২৮ আষাঢ় ১৪২৭, ২০ জিলকদ ১৪৪১

মানুষের সভা সমাবেশ করার অধিকার আজ আতঙ্কের মাঝে

আনু মুহাম্মদ

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, ঢাবি

| ঢাকা , শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী ২০১৮

তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব আনু মুহাম্মদ বলেছেন, ঝুঁকির মধ্যে থাকার ফলে মানুষ দিন দিন শৃঙ্খলবদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। সেদিক থেকে মানুষের দৃষ্টি সরানোর জন্য উন্নয়নের দামামা বাজানো হচ্ছে বিশ্বব্যাপী। বাংলাদেশও এদিক দিয়ে পিছিয়ে নেই। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে। এর মাধ্যমে সরকার প্রমাণ করতে চাচ্ছে দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। উন্নয়নের প্রচারণার ঢোল বাজানো হচ্ছে এবং সে ঢোল শুনতে বাধ্য করার জন্যই মানুষের মত প্রকাশের, সভা-সমাবেশ করার অধিকারকে আতঙ্কের মধ্যে ফেলা হচ্ছে। গতকাল বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সড়কদ্বীপে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ‘দ্রোহ প্রতিরোধে সাহসী প্রাণ, মুক্তির লড়াইয়ে রাঙাও রাজপথ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী তাদের ১৪তম কাউন্সিল উপলক্ষে দু’দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে আরও বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু, ছাত্র মৈত্রীর প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি মোল্লা হারুন রশিদ, ছাত্র মৈত্রীর সাবেক সভাপতি আবদুর রউফ প্রমুখ।

তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির এ সদস্য সচিব বলেন, পুলিশ-র‌্যাব আজ সরকারি দলের এক্সটেনশান হিসেবে কাজ করে। প্রশাসন কাজ করে সরকারি দলের বাহিনী হিসেবে। সব প্রতিষ্ঠান এখন দলীয় পকেটের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। এসব ক্ষেত্রে প্রশ্ন করারও কোন সুযোগ থাকে না। কারণ প্রশ্ন করলেই পুলিশ-র‌্যাবের আটক, গুমের বাণিজ্য বেড়ে যাবে।

তিনি বলেন, প্রতিনিয়ত জিনিসপত্রের দাম বাড়ানো হচ্ছে গ্যাস বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে বিভিন্ন জায়গায় ফি বাড়িয়ে হোক বা চাঁদাবাজি করে হোক বিভিন্নভাবে মানুষের কাছে যে টাকা আসছে, তা জমা হচ্ছে কিছু লোকের হাতে। সেই কিছু লোকের হাতেই এখন রাষ্ট্রের ক্ষমতা। তিনি আরও বলেন, সুন্দরবন ধ্বংস করে হলেও ভারতের একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে পূর্ণ সমর্থন রয়েছে আমাদের দেশের সরকারের। বাংলাদেশকে এ সমস্ত দেশের কিছু ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর মধ্যে ভাগ করে দেয়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে পরিণত হচ্ছে বলা হচ্ছে।

আনু মুহাম্মদ বলেন, সরকার জনবিরোধী বলেই আজ সুন্দরবন ধ্বংস করতে উদ্যত হয়েছে। এছাড়া রূপপুরের পারমাণবিক প্রকল্পকে উন্নয়ন প্রকল্প বলা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠিত বুদ্ধিজীবীদের বেশিরভাগই আজ বিক্রি হয়ে গেছে। আর তাই আমাদের তরুণ বিপ্লবী বুদ্ধিজীবী, সংগঠক ও নেতা তৈরি করতে হবে।