• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৭ আশ্বিন ১৪২৬, ২২ মহররম ১৪৪১

বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

ভিসি অফিসে হামলা ভাঙচুর : নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

আতঙ্কে কর্মকর্তারা

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , বুধবার, ১২ জুন ২০১৯

নিয়োগ পরীক্ষায় ফেল করা ডাক্তাররা গতকাল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ভিসির কার্যালয়ে হামলা ভাঙচুর ও তান্ডব চালিয়েছে। ফেল করার পরও বিএসএমএমইউয়ের মেডিকেল অফিসার হিসেবে নিয়োগের দাবিতে তারা এ তান্ডব চালায় বলে জানা গেছে। পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে ভিসি কনককান্তি বড়ুয়ার উপস্থিতিতেই এ হামলা চালানো হয়। এ ঘটনার পর মেডিকেল অফিসার নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনায় বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সিন্ডিকেট বৈঠক ডাকা হয়েছে।

আন্দোলনকারী ফেল করা ডাক্তারদের সঙ্গে স্বাচিপ, বহিরাগত ছাত্রলীগ সমর্থিত ডাক্তাররা পরিকল্পিতভাবে এ হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে। পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে ভিসি কনককান্তি বড়ুয়ার উপস্থিতিতে এ হামলা চালানো হয়।

ভার্সিটি সূত্র জানায়, গতকাল সকাল ৮টা থেকে মেডিকেল অফিসার নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ফেল করা ডাক্তারদের সঙ্গে স্বাচিপ সমর্থিত কিছু শিক্ষক, ডাক্তার ও বহিরাগত কিছু ডাক্তার মিথ্যা উস্কানি দিয়ে অতর্কিত ভিসি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর করে। এ সময় ভিসি কনককান্তি বড়ুয়া তার কার্যালয়ে কাজ করছিলেন। পুলিশ ও আনসার ভাঙচুরকারীদের বাধা দিলে তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী ডাক্তারদের ভয়ে কেউ ভিসির রুমে ঢোকার সাহস পায়নি। ফেল করা ডাক্তাররা পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানান। তান্ডবের সময় আন্দোলনকারীরা রেজিস্ট্রার প্রফেসর ডা. আবদুল হান্নানের শার্টের কলার ধরে টানাহেচড়া করে। রোগী ও স্বজনরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পুলিশ ও আনসার সদস্যদের নিরাপত্তার মধ্যে ফেল করা ডাক্তার ও বহিরাগতদের তান্ডবে সবাই হতবাক হয়ে যায়।

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ডাক্তার ইকবাল আর্সলান বলেন, এ হামলার সঙ্গে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের কোন সম্পর্ক নেই। ব্যক্তিগতভাবে কোন স্বাচিপ নেতা ও সদস্য যেতে পারেন। স্বাচিপের মহাসচিব প্রফেসর ডা. আবদুল আজিজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনিও এ ঘটনার সঙ্গে স্বাচিপের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানান।

পুলিশের রমনা জোনের ডিসি মারুফ হোসেন সর্দার বলেন, ভিসির কার্যালয় ভাঙচুরের সময় পুলিশ বাধা দিয়েছে। তখন ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে।

ভার্সিটি সূত্র জানায়, সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তে নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা নেয়া হচ্ছিল। এ নিয়ে বার বার প্রশাসনের ওপর সাবেক ছাত্রলীগ সমর্থিক ডাক্তাররা বাধা, হামলা ও ভাঙচুর করে। একটি গ্রুপ নানাভাবে তৎপরতা চালাচ্ছে।

ভিসি কনককান্তি বড়ুয়া বলেন, সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তের পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।