• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ০৩ জুন ২০২০, ২০ জৈষ্ঠ ১৪২৭, ১০ শাওয়াল ১৪৪১

সোনারগাঁও টেক্সটাইলে

বেতন-বোনাসের দাবিতে শ্রমিকরা আন্দোলনে

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, বরিশাল

| ঢাকা , শনিবার, ২৩ মে ২০২০

বকেয়া বেতন-বোনাসের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন বরিশাল নগরীর রূপাতলীতে অবস্থিত সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলের শ্রমিকরা। বন্ধ থাকা এ মিলের প্রায় ৫০০ শ্রমিক-কর্মকর্তা কর্মচারী গত এপ্রিল মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস পাননি বলে জানিয়েছেন। বেতন-বোনাস প্রদানের দাবীতে আজ রূপাতলীতে টেক্সটাইল মিলের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবেন শ্রমিকরা। শুক্রবার নগরীতে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল- (বাসদ) কার্যালয় চত্বরে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে প্রায় ৩০ জন শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন। তাদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন টেক্সটাইল মিলের সময় রক্ষক মো. ফরহাদ হোসেন। জেলা বাসদের সদস্য সচিব ডা. মনীষা চক্রবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিয়ে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ করতে মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

শ্রমিকরা বলেন, কোনরূপ কারণ ও আলাপ আলোচনা ছাড়াই গত ৫ এপ্রিল সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিল লে-অফ ঘোষণা করে মালিক কর্তৃপক্ষ। পরবর্তিতে শ্রমিকদের দাবির মুখে বকেয়া জানুয়ারী থেকে মার্চ পর্যন্ত বেতন পরিশোধ করা হয়। এপ্রিল মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস এখন পর্যন্ত দেয়া হয়নি। বেতন চাওয়া হলে চাকরিচ্যুত করার হুমকি দেয়া হচ্ছে। শ্রমিকরা জানান, বেতন পরিশোধের জন্য শ্রমিকদের পক্ষ থেকে শ্রম আদালত ও বরিশাল জেলা প্রশাসকের কাছে তারা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আজ সকাল ১০টায় টেক্সটাইল মিলের গেটে তারা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবেন।

শ্রমিকদের এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলের প্রকল্প পরিচালক সালাউদ্দিন চৌধুরী গুটিকয়েক শ্রমিককে দায়ী করে বলেন, কোনরূপ আন্দোলন ছাড়াই মার্চ মাস পর্যন্ত বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হয়েছে। নেতা নামধারী গুটিকয়েক শ্রমিক মালিকপক্ষের কাছ থেকে অন্যরকম সুবিধা চেয়েছিলেন। সেটা না পেয়ে তারা মিথ্যা রটাচ্ছেন। মিল মালিকের বক্তব্যের বরাত দিয়ে সালাউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ঈদের পর মিলে আবার উৎপাদন শুরু হবে। তখন সবার বকেয়া পরিশোধ করা হবে।

উল্লেখ্য. বরিশাল নগরীর অন্যতম শিল্প প্রতিষ্ঠান খানসন্স গ্রুপের অন্যতম প্রতিষ্ঠান হচ্ছে সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিল। পূর্বেকার কুয়াকাটা-বরিশাল আঞ্চলিক সড়কে বরিশাল নগরীতে প্রবেশমুখ রূপাতলীতে এ মিলটির অবস্থান। সেখানে ৪৫০ জন শ্রমিক ও ৯৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত ছিলেন। মালিক পক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী করোনা সংকটের সাধারণ ছুটি করা ঘোষণা হলে গত ২৬ মার্চ মিলের উৎপাদন বন্ধ করে দেয়া হয়। আর ৫ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটি লে-অফ ঘোষণা করে মালিক কর্তৃপক্ষ।