• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০, ০১ শ্রাবণ ১৪২৭, ২৪ জিলকদ ১৪৪১

বিশ্বে গ্রামীণ দারিদ্র্যের হার ১৭ শতাংশ

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০১৯

বর্তমান বিশ্বে গ্রামীণ দারিদ্র্যের হার ১৭ এবং শহরে ৭ শতাংশ। গ্লোবাল ফুড পলিসি রিপোর্ট ২০১৯-এ তথ্যটি উঠে এসেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তন, বনাঞ্চল ধ্বংস, ভূমিধস ও পরিবেশ দূষণের কারণে গ্রামীণ পরিবেশ হুমকির মুখে রয়েছে। প্রতিবেদনে ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রামের মানুষের জীবনমানের উন্নয়নের কথা বলা হয়। এর মধ্যে যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন, কৃষির যান্ত্রিকীকরণ ও আধুনিক-বাণিজ্যিক কৃষি, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সর্বোপরি গ্রামে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে মানুষের আয়ের সংস্থান করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে এই রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক। পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামসুল আলমের সঞ্চালনায় এতে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানম প্রমুখ বক্তব্য দেন। প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করে কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক বলেন, দারিদ্র্যপীড়িত জনগোষ্ঠীর অধিকাংশই গ্রামাঞ্চলে বসবাস করে। সেখানে নিরাপদ খাদ্য, পুষ্টি ও মৌলিক প্রয়োজনগুলোর অভাব রয়েছে এবং সুযোগ-সুবিধা সীমিত। শহরের মানুষের খাদ্য সরবরাহ করে গ্রামের কৃষক। তাই কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে, কৃষককে বাঁচাতে হলে কৃষিপণ্যের সঠিক মূল্য নিশ্চিত করতে হবে। এ খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার খাত হচ্ছে আধুনিক ও বাণিজ্যিক কৃষি। এ লক্ষ্য অর্জনে কাজ করছে সরকার। উন্নত বাংলাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে কৃষিকে অবশ্যই বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তর করে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার ছিল ‘আমার গ্রাম-আমার শহর’। আমরা প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধা সম্প্রসারণ করব। উন্নয়নচিন্তার মধ্যে গ্রাম স্থান পাবে। নাগরিক আধুনিক সব সুযোগ ও নাগরিক অধিকার গ্রামেও নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে ৬০ শতাংশ গ্রাম এলাকায় বিদ্যুৎ রয়েছে। সেখানে শিঘ্রই দেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে যাবে। যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামকে জেলা-উপজেলা শহরের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। কর্মসংস্থানের জন্য জেলা-উপজেলায় কলকারখানা গড়ে তোলা হবে।