• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ৩০ মহররম ১৪৪২, ০২ আশ্বিন ১৪২৭

বিদ্যুৎ বিভাগের নতুন সিদ্ধান্তে

বিপাকে গ্রাহকরা

বাড়ি তালাবদ্ধ দু’মাস তবু শত শত টাকার বিদ্যুৎ বিল

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, বরিশাল

| ঢাকা , রোববার, ১৭ মে ২০২০

করোনাভাইরাস বিপর্যয়ের কারণে গত ২৭ মার্চ থেকে সরকারি ছুটির জন্য বিনা সুদে তিন মাসের বিদ্যুৎ বিল গ্রহণের সুযোগ রাখলেও দক্ষিণাঞ্চলে সরকারিÑবেসরকারি ব্যাংকগুলো এখনও তা গ্রহণ করছে না। কিন্তু ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি-ওজোপাডিকোর এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছেন দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় পৌনে দু’লাখ গ্রহক। দক্ষিণাঞ্চলের ৬টির মধ্যে ৫টি জেলা সম্পূর্ণ ও ১টি আংশিক লকডাউনের আওতায় আসায় গত প্রায় দু’মাস সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ বেকার হয়ে ত্রাণের ওপর নির্ভরশীল হয়ে আছে। সরকারিÑবেসরকারি বিভিন্ন ঋণদান প্রতিষ্ঠানের ঋণের কিস্তির আদায় স্থগিতসহ দু’মাসের জন্য সুদ মওকুফ করা হয়েছে। কিন্তু ব্যাংকিং কার্যক্রম ধীরে ধীরে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত সম্প্রসারিত হলেও বিদ্যুৎ বিভাগ তাদের বিল আদায়ে ব্যাংকগুলোকে সম্মত করাতে না পরলেও গ্রাহকদের ওপর বাড়তি বোঝা চাপিয়ে দিতে শুরু করেছে।

ওজোপাডিকোর সিদ্ধান্তে চরম বিড়ম্বনায় সাধারণ মানুষ। ২৭ মার্চ থেকে ছুটি ঘোষণা করায় মার্চে ব্যবহৃত বিদ্যুৎ বিল এপ্রিলে দেয়া সম্ভব হয়নি। মে মাসে এসে ওজোপাডিকোর পক্ষ থেকে মার্চ ও এপ্রিল মাসের বিদ্যুৎ মাসুল একত্রে পরিশোধ করার জন্য বিল দেয়া হচ্ছে। উপরন্তু অনেক বাড়ি দু’মাস ধরে তালাবদ্ধ থাকলেও সেসব গ্রাহকদেরও দেড়শ’ থেকে দু’শ’ ইউনিটের টাকা দেবার বিল দেয়া হয়েছে। নগরীর শিক্ষার্থীদের প্রায় সব মেস গত ২৭ মার্চ থেকে বন্ধ। সেখানে এপ্রিল মাসে শত শত ইউনিটের বিল দেয়া হয়েছে। অথচ মেসের আবাসিকরা দু’মাস ধরে নেই। ফলে বাড়িওয়ালারা বিপদে পড়ছেন। উপরন্তু চলমান অর্থনৈতিক সংকটে ওজোপাডিকো এক সঙ্গে দু’মাসের বিদ্যুৎ বিল দেয়ায় সবাই বিলের টাকা পরিশোধ করা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। আবার ওজোপাডিকোর বিলে যেসব ব্যাংকের শাখায় পরিশোধ করার নির্দেশ রয়েছে তাদের কোনটিই বিদ্যুৎ বিল গ্রহণ করছে না। বিকাশ বা অন্য সব অনলাইন কার্যক্রমে বিল পরিশোধ করতে গেলে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে। অথচ বিলে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ না করলে পরবর্তীতে ব্যাংক তা গ্রহণও করবে না। ফলে ওজোপাডিকোর হঠকারী সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছেন দক্ষিণাঞ্চলের পৌনে দু’লাখ বিদ্যুৎ গ্রাহক।