• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫, ১৩ মহররম ১৪৪০

পার্বত্য ভূমি কমিশনের বৈঠক

বিধিমালা প্রণয়ন ও ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি নিয়ে আলোচনা

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, পার্বত্য অঞ্চল

| ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

গতকাল রাঙ্গামাটিতে পাহাড়ে ভূমি নিষ্পত্তি লক্ষ্যে গঠিত পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রায় আড়াই ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত রুদ্ধদ্বার বৈঠকে পাহাড়ের ভূমি বিরোধ বিষয়ক অভিযোগের বিষয়ে আলোচনা, আনীত অভিযোগের বিষয়ে করণীয় পদক্ষেপ, কমিশনের পরবর্তী কর্মপন্থা নির্ধারণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া বৈঠকে পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের কার্যক্রম পরিচালনায় দ্রুত বিধিমালা প্রণয়ন করে জনবল সুবিধা বাড়াতে সরকারের সহায়তা চাওয়া এবং বান্দরবান ও রাঙ্গামাটি জেলায় শীঘ্রই পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের শাখা অফিসের কার্যক্রম শুরু করা নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে। রাঙ্গামাটি সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত কমিশনের বৈঠক সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ আনোয়ার উল হক। এ সময় বৈঠকে কমিশনের সদস্য পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমা, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোমিনুর রশিদ আমিন, চাকমা সার্কেল চিফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায়, মং সার্কেল চিফ সাচিং প্রু চৌধুরী, বোমাং সার্কেল চিফ উ চ প্রু চৌধুরী, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা, বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যা শৈ হ্লাসহ কমিশনের ৮ সদস্য যোগ দেন। সভা শেষে কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ আনোয়ার উল হক সাংবাদিকদের বলেন, সঙ্গে কথা বলেন, ইতোমধ্যে ভূমি বিরোধ সংক্রান্ত প্রায় ২২ হাজার আবেদন কমিশনে জমা পড়েছে। বর্তমানে আবেদনগুলোর শ্রেণী বিভাজন করা হচ্ছে। তিনি আরও বান্দরবান ও রাঙ্গামাটি জেলায় খুব শীঘ্রই কমিশনের শাখা স্থাপন করা হবে। এছাড়া কমিশনের প্রয়োজনীয় জনবল এবং সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকারের কাছে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। সরকার এ ব্যাপারে যত দ্রুত পদক্ষেপ নেবে কমিশনও দ্রুত কাজ করতে পারবে। তিনি জানান, আগামী মার্চ মাসে কমিশনের পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমা বলেন, আগে কমিশনের বিধিমালা প্রণয়ন করা দরকার। এটা খুবই জরুরি। যত দ্রুত সম্ভব এটা প্রণীত হওয়া উচিত। বিধিমালা না হলেই কমিশন এগিয়ে যেতে পারবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন। কমিশনের সদস্য চাকমা সার্কেল চিফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় জানান, যেহেতু কমিশন জনবল সংকট প্রকট। আগে এ সংকট দূর করতে হবে। কমিশনের লজিস্টিক সাপোর্ট দেয়া জরুরি বলেও তিনি মন্তব্য করেন।