• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, ২ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬, ১৯ রবিউল আওয়াল ১৪৪১

বিদেশি চ্যানেলে দেশি বিজ্ঞাপন প্রচার করলে লাইসেন্স বাতিল

তথ্যমন্ত্রী

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১১ এপ্রিল ২০১৯

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিদেশি চ্যানেলে বাংলাদেশি বিজ্ঞাপন প্রচার করা আইনের লঙ্ঘন। এতোদিন আইন ভঙ্গ করা হয়েছে। তথ্য মন্ত্রণালয় কোন টিভি বন্ধ করেনি। কিন্তু এখন আইন না মানলে লাইসেন্স বাতিল হবে, জরিমানাও করা হবে। গতকাল সচিবালয়ে অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স (অ্যাটকো) নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।

বৈঠকে অ্যাটকোর সভাপতি ও মাছরাঙা টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী, ডিবিসি টেলিভিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী, একাত্তর টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী মোজাম্মেল বাবু, আরটিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোরশেদ আলম চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক একে আজাদসহ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপনে বিদেশি মডেল ব্যবহারে নীতিমালা : তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আমাদের দেশে দুটি প্রতিষ্ঠান ডাউন লিংক করে বিদেশি চ্যানেল দেখায়। তারাই নিয়ম লঙ্ঘন করে দেশি বিজ্ঞাপন বিদেশি চ্যানেলে প্রচার করছে। তিনি জানান, আবেদন করায় জাদু ভিশন ও ন্যাশন ওয়াইড লিমিটেডকে আরও ১৫ দিনের সময় দেয়া হয়েছে। এর আগে ১ এপ্রিল থেকে আইন ভঙ্গ করে বিজ্ঞাপন প্রচার করায় তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। বিদেশি চ্যানেলে কোন বিজ্ঞাপনই প্রচার করা যাবে না। ক্লিন ফিড নিশ্চিত করে যারা চ্যানেল ডাউন লিংক করবে সেটা তাদের দায়িত্ব। বিদেশি মডেল দিয়ে বিজ্ঞাপন নির্মাণের ক্ষেত্রেও বিধি নিষেধ আনা হবে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিদেশ থেকে অনেক বিজ্ঞাপন তৈরি করে এনে তা এদেশে প্রচার করা হচ্ছে। সেগুলোও দেখা হবে। এক্ষেত্রে বিদেশি কলাকুশলীদের দেশীয় বিজ্ঞাপন ব্যবহারে কিছু বিধি কার্যকর করা হবে।

অ্যাটকোর সভাপতি ও মাছরাঙা টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী বলেন, টেলিভিশন শিল্পকে বাঁচাতে হলে যথাযথ নিয়ম মানতে হবে। ক্লিন ফিড না আসায় সব বিজ্ঞাপন বাইরে থেকে আসছে। দ্রুত এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া দরকার।

ডিবিসি টেলিভিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, বিজ্ঞাপন খাতে ৫শ থেকে ৬শ কোটি টাকা বিদেশে চলে যাচ্ছে। এই সংকটের কারণে অনেক টেলিভিশনের কর্মীরা চাকরি হারাচ্ছে। ডিজিটালাইজেশন হলে চ্যানেলের উন্নয়ন হবে।

অ্যাটকোর পক্ষ থেকে বলা হয়, বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার এখন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়নি। বিদেশি চ্যানেলগুলোকে ক্লিন ফিড নিশ্চিত করতে হবে। আগামী ১ বছরের মধ্যে ডিজিটালাইজেশনে আসতে হবে। এর মাধ্যমে সরকার ২ থেকে ৩ হাজার কোটি টাকা ভ্যাট পেতে পারে। আর বিজ্ঞাপনে বিদেশি মডেল ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নীতিমালা সংশোধন করা প্রয়োজন।