• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০, ২৯ আষাঢ় ১৪২৭, ২১ জিলকদ ১৪৪১

বাংলাদেশ উদার বাণিজ্য নীতি গ্রহণ করেছে

টিপু মুনশী

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০১৯

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, বাংলাদেশ উদার বাণিজ্য নীতি গ্রহণ করেছে। ওয়ানস্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে দেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের কাজ সহজ করা হয়েছে। গতকাল সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘ইইউ-বাংলাদেশ বিজনেস ক্লাইমেট ডায়ালগ’-এর ৫ম রাউন্ডের বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য দীর্ঘদিনের। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এভ্রিথিং বাট আর্মস (ইবিএ)-এর আওতায় বাংলাদেশকে বাণিজ্য সুবিধা দিচ্ছে। সে জন্য বাংলাদেশ কৃতজ্ঞ। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সঙ্গে চলমান বাণিজ্য ক্ষেত্রে বিভিন্ন বাধা দূর করতে বছরে ২ বার বৈঠক করে থাকে। এটি পঞ্চম ডায়ালগ।

বাণিজ্য সচিব মো. মফিজুল ইসলাম এবং ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত রেন্সজে তেরিনকের যৌথ সভাপতিত্বে সংলাপটি হয়। এতে ইইউভুক্ত দেশসমূহের রাষ্ট্রদূত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভিত্তিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ উদার বাণিজ্য নীতি গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলার কাজ দ্রুগতিতে এগিয়ে চলছে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বাংলাদেশের বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। ইউরোপিয়ন ইউনিয়ন এর বিনিয়োগকারীগণ এসব ইকোনমিক জোনে বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ পদ্ধতি দুর্নীতিমুক্ত ও সহজ করা হয়েছে। কোন কাজে হয়রানির সুযোগ নেই। এখন এক অফিসেই সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হচ্ছে। ওয়ানস্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের কাজ সহজ করা হয়েছে। যাতে কোন ব্যবসায়ী হয়রানির শিকার না হন, সেজন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাণিজ্য নিয়ে ৫টি সেক্টরে বিভিন্ন সময়ে জটিলতা দেখা যায়। এগুলো হলো- ইম্পোর্ট ডিউটিজ/কাস্টমস/ট্রেড ফেসিলিটেশন, ফাইনান্সিয়াল ফ্লজ, ফার্মাসিটিকেলস, ট্যাক্স রিজিমস, লাইসেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ইন দ্য সার্ভিস সেক্টর। এ সেক্টরগুলোর সমস্যা সমাধানে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ কাজ করছে। বিগত ৪টি ডায়ালগে অনেক সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে। পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হয়েছে। আগামী ৬ মাস পর আবার এ ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হবে। সে সময় অবশিষ্ট সমস্যাগুলো আর থাকবে না বলে বিশ^াস করি। এবারের ডায়ালগ খুবই আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের ডেলিগেশন প্রধান এবং ইইউ অ্যাম্বাসেডর মিসেস রেনসজি টেরিংক সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন সহজ পদ্ধতিতে বাণিজ্য করার পরিবেশ চায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইজি ডুয়িং বিজনেস পলিসি খুবই উৎসাহব্যাঞ্জক। সে মোতাবেক অফিসগুলোতে কাজ হবে বলে ইইউ আশা করছে। এ উদ্যোগের প্রশংসা করছে ইইউ। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সততার মধ্যে সব কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে আশা করছি। পঞ্চম ইইউ-বাংলাদেশ বিজনেস ক্লাইমেট ডায়ালগ ফলপ্রশু হয়েছে। খুবই আন্তরিক পরিবেশে সব সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, আশা করি আগামীতে আর কোন সমস্যা থাকবে না। উভয় দেশের বেসরকারি উদ্যোক্তাগণ উপস্থিত থাকায় সমস্যা চিহ্নিত ও সমাধান সহজ হয়েছে। বাংলাদেশ সঠিক পথেই এগিয়ে যাচ্ছে।