• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ৮ কার্তিক ১৪২৭, ৬ রবিউল ‍আউয়াল ১৪৪২

বরিশাল বিভাগে ৪ চীনাসহ ১৭ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, বরিশাল

| ঢাকা , রোববার, ১৫ মার্চ ২০২০

বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার মধ্যে তিন জেলায় এ পর্যন্ত বিদেশ থেকে আসা ১৭ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তারমধ্যে পটুয়াখালীর কলাপাড়া পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে কর্মরত ৪ জন চীনা শ্রমিকও রয়েছেন। হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ১৫ জন চৌদ্দ দিন একই অবস্থানে থাকার পর তাদের শরীরে করোনাভাইরাস না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হলে প্রকাশ্যে জনসমাগমে আসার অনুমতি দেয়া হবে। বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস এ তথ্য জানিয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিভাগীয় দফতর সূত্রে জানা গেছে, ৪ জন চীনা শ্রমিক গত বৃহস্পতিবার তাদের কর্মস্থল নির্মাণাধীন পায়রা তাপ-বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকায় ফিরে আসেন। বিমানবন্দরে তাদের পরীক্ষা করে দেশে ঢোকার অনুমতি দেয়া হয়েছে। তারপরেও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাদেরকে বাধ্যতামূলকভাবে তাপ-বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকার আলাদা একটি ভবনে রাখা হয়েছে। করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কমিটির পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক তাদের স্বাস্থ্যের খোঁজ নেয়া হচ্ছে। সেখানে ১৪ দিন অবস্থানের পর কোন উপসর্গ ধরা না পড়লে তাদের কাজে যোগদানের অনুমতি দেয়া হবে।

এছাড়া বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় ইতালি থেকে আসা ৪ জনকে, হিজলা উপজেলায় সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও সৌদি আরব থেকে আসা ৩ জনকে, ঝালকাঠীর রাজাপুর উপজেলায় সৌদি থেকে আসা ২ জনকে, সিঙ্গাপুর থেকে ২ জন ও নেদারল্যান্ড থেকে আসা ১ জনকে, পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় সিঙ্গাপুর থেকে আসা ১ জনকে নিজ নিজ বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিভাগীয় পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস জানান, সম্প্রতি দেশে ফেরা এই ১১ জন প্রবাসী নিজেরা অত্যন্ত সতর্ক ও সচেতন। নিজেরাই বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন না। এরপরও বাড়ির পৃথক কক্ষে তাদের রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তারা ১৪ দিন পর্যবেক্ষণে থাকবেন। এই সময় বাইরে চলাফেরা ও সেখানে থাকা পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে মেলামেশা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদেরর চলাফেরাও সীমিত করা হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা সার্বক্ষণিক তাদের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিচ্ছেন।

এদিকে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে প্রতিটি জেলায় কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছেন। করোনা প্রতিরোধ ও আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবা দেবার সমন্বয়কের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে নার্সিং সেবা ২ এর উপ-সচিব মো. তানবির আহমেদ (মোবাইল নং-০১৭১১২৮২১৮৮)। বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় সম্ভাব্য করোনা রোগীদের চিকিৎসা প্রদানের জন্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৯১৯টি বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এরমধ্যে শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৫০ বেড, সাউথ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৫০টি, বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে ৫টি ও সব উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ৩১টি করে বেড রয়েছে।