• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০১৯, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২৪ রবিউল আওয়াল ১৪৪১

বদলে গেছে যশোর শিল্পকলা একাডেমি

সংবাদ :
  • যশোর অফিস

| ঢাকা , শুক্রবার, ০৮ নভেম্বর ২০১৯

আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও মনোরম সাজ-সজ্বায় বদলে গেছে যশোর শিল্পকলা অ্যাকাডেমির চিত্র। টেরাকোটার কাজের সমন্বয়ে তৈরি সুদৃশ্য প্রবেশ দ্বার পার হয়ে অ্যাকাডেমি ভবনে প্রবেশ করলে যে কেউ মুগ্ধ হবেন। সম্প্রতি বিবর্তন আয়োজিত আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসবে সাধারণ দর্শণার্থী, দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সাংস্কৃতিক কর্মীরা মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন।

নির্দিষ্ট সময় পার হলেও অ্যাকাডেমির সম্পূর্ণ আধুনিকায়নের কাজ শেষে তা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর হয়নি। তবুও বছর দুয়েক পর অ্যাকাডেমির সার্বিক এ দৃশ্যমান উন্নয়নে সন্তুষ্ট শিল্পকলার সদস্যসহ অন্যরা। অ্যাকাডেমির উন্নয়ন কাজে সাবস্টেশন রুমের পাশে নির্মিত উন্মুক্ত মঞ্চটি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। কেন্দ্র থেকে এ মঞ্চ তৈরির কোন পরিকল্পনা ছিল না। এক সময় ময়লা আবর্জনায় পরিপূর্ণ স্থানটিতে যে এত সুন্দর কিছু করা যেতে পারে তা সৃজনশীল চিন্তা অ্যাকাডেমি পরিচালনা পর্ষদের কাছ থেকেই আসে। এটি শহরের যথাযথ উন্মুক্ত অনুষ্ঠান মঞ্চের অভাব পূরণে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংস্কৃতিপ্রেমীরা।

অ্যাকাডেমিকে আগামীতে কিভাবে দেখতে চান, এমন প্রশ্নের জবাবে যশোর সরকারি এমএম কলেজের কিছু শিক্ষার্থী জানান, অ্যাকাডেমির দেয়ালে চারুকলা বিভাগের শিশুদের আঁকা ছবিগুলো মনোমুগ্ধকর। এমনভাবে যদি জেলার পুরাতন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেকে বিস্তারের চিন্তা করে কর্তৃপক্ষ তবে শিক্ষণীয় হবে। স্বাধীনতা পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সময়ে জেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের জীবনী এবং তাদের কর্মকা- নিয়ে দৃশ্যমান কোন তথ্যচিত্রের দাবি জানান তারা। আন্তর্জাতিক মানের অ্যাকাডেমি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে অবকাঠামোতে ছেলে এবং মেয়েদের জন্য আলাদা টয়লেট ব্যবস্থা থাকা জরুরি উল্লেখ করে শিক্ষার্থীরা আরও জানান, শুরুতেই এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা দরকার ছিল।

যশোর শিল্পকলা অ্যাকাডেমির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহামুদ হাসান বুলু এ বিষয়ে আশা করছেন আগামী বছরের শুরুতেই সম্পূর্ণ কাজ শেষে আধুনিক মানসম্মত একাডেমি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের কাছ থেকে বুঝে পাবেন। এখনও প্রাচীরে আলোক সজ্জাসহ অডিটোরিয়ামের সাউ- সিস্টেমের শেষ পর্যায়ের কিছু পরীক্ষামূলক কাজ বাকি আছে। যশোরবাসীর বিশেষ চাওয়ার কারণে ইতোমধ্যে অনেকগুলো অনুষ্ঠান অডিটোরিয়ামে করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সাধারণের সুবিধার্থে তারা উন্মুক্ত মঞ্চ তৈরি করেছেন। যেখানে অনুষ্ঠান আয়োজক চেয়ারের সুবিধাও পাচ্ছেন। চেয়ারসহ মঞ্চ পেতে অনুষ্ঠান আয়োজকদের নামমাত্র ভাড়া পরিশোধ করতে হবে উল্লেখ করে তিনি জানান, শুধু বাহ্যিক সাজ নয়, অ্যাকাডেমিটিকে গুণে মানে অনন্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে আরও কিছু চিন্তা রয়েছে তাদের।