• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, ১২ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৮ জমাউস সানি ১৪৪০

বঙ্গবন্ধুর নামে হচ্ছে কর্ণফুলী ট্যানেল

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , মঙ্গলবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেলের নামকরণ হবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে। এই নির্মাণ প্রকল্পের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী। প্রকল্পের নিরাপত্তার জন্য প্রায় ৬৫ কোটি টাকার একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে নৌবাহিনী ও সেতু কর্তৃপক্ষ।

গতকাল রাজধানীর বনানী সেতু ভবনে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে সেতু কর্তৃপক্ষের পক্ষে প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদাউস এবং নৌবাহিনীর পক্ষে নেভাল অপারেশন্সের পরিচালক এবং সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি সুপারভিশন কনসালটেন্টের প্রধান সমন্বয়ক কমোডর মাহমুদুল মালেক নিজ নিজ পক্ষে স্বাক্ষর করেন। এ সময় সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সেতু বিভাগের সিনিয়র সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এবং নৌবাহিনীর প্রধান ভাইস এডমিরাল আওরঙ্গজেব চৌধুরীসহ বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ও নৌবাহিনীর অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টানেল বোরিং মেশিনটি চালুর মাধ্যমে কর্ণফুলী টানেল খনন কাজের শুভ উদ্বোধন করবেন এবং এ পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ৩২ ভাগ। ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে এই টানেলের নামকরণ করা হবে। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সিকিউরিটি সাপোর্ট ইউনিট কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ প্রকল্প এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা প্রদান করবে এবং চুক্তির মেয়াদ হবে ৪ বছর।

নৌবাহিনী প্রধান আওরঙ্গজেব চৌধুরী বলেন, প্রকল্প এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি নৌবাহিনী প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রকল্প এলাকায় একটি কার্যালয়ও স্থাপন করবে।

প্রকল্প সূত্র জানায়, কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পটি ৯ হাজার ৮৮০ কোটি চল্লিশ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। যার মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের অর্থ সহায়তা ৩ হাজার ৯৬৭ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং চীন সরকারের অর্থ সহায়তা ৫ হাজার ৯১৩ কোটি ১৯ লাখ টাকা। ২টি টিউব সম্বলিত মূল টানেলটির দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৪ কিলোমিটার এবং টানেলের পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক এবং ৭২৭ মিটার ওভার ব্রিজসহ এই টানেলটি চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলাকে শহরাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম শহরকে বাইপাস করে সরাসরি কক্সবাজারের সঙ্গে সহজ যোগাযোগ স্থাপিত হবে। ফলে চট্টগ্রাম শহরের যানজট কমাসহ ভ্রমণ সময় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।