• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, ৩০ আশ্বিন ১৪২৬, ১৫ সফর ১৪৪১

বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে চাকরি প্রার্থী ডাক্তারদের হুমকি অব্যাহত

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৯ এপ্রিল ২০১৯

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিকেল অফিসার হিসেবে চাকরি প্রার্থী ডাক্তাররা ভিসি ও কন্ট্রোল অফিসে গিয়ে গতকালও হুমকি দিতে থাকে। সোমবার দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে। ১৫ থেকে ২০ জন ডাক্তার দুপুরের গিয়ে কন্ট্রোল অফিসে ঢুকে গালাগাল করেছেন। ওই সময় কন্ট্রোলারসহ অন্য অফিসাররা কর্মস্থলে ব্যস্ত ছিলেন। তারা কন্ট্রোলারের দরজা বন্ধ করে বাজে ভাষায় গালাগাল করেছেন। ওই সময় অন্য ডাক্তাররা গিয়ে তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। তারপরও হুমকি ও গালাগাল থামেনি। এক পর্যায়ে তারা কন্ট্রোল ইফতেখার আলমের রুম থেকে বের হয়ে ভিসি কার্যালয়ের সামনে গিয়ে একইভাবে গালাগাল করেন। ওই সময় ভিসি ভার্সিটির কাজে অন্য স্থানে ব্যস্ত ছিলেন। এ নিয়ে ভার্সিটিতে উত্তেজনা বিরাজ করছে বিষয়টি শীঘ্রই স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও সরকারের উচ্চ পর্যায়ে জানানো হবে। আজ দুপুরে স্বাচিপ ও বিএমএ শীর্ষ ৪ নেতার সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা হবে। গতকাল রাতে কন্ট্রোল ও ভিসি অফিসের একাধিক ঊর্ধ্বতন সূত্রে এ তথ্য জানিয়েছেন।

ভাসির্টির কয়েকজন শিক্ষক ও কন্ট্রোল অফিস থেকে জানা গেছে, জাতির পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা, চিকিৎসা ও গবেষণার মান ধরে রাখতে সর্বোচ্চ মেধার ভিত্তিতে বর্তমান সরকার ডাক্তার নিয়োগ দেয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে মেধার ভিত্তিতে যোগ্য ডাক্তার নিয়োগ দেয়ার পক্ষে মত দেন শিক্ষকরা। সেই অনুযায়ী সম্প্রতি ২০০ ডাক্তার নিয়োগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রায় ৮ হাজার ডাক্তার অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু গত ৪ মাসের বেশি সময় ধরে চাকরিপ্রার্থী অর্ধশত বহিরাগত ডাক্তার যোগ্যতা না থাকলে তাদের নিয়োগ দেয়ার জন্য নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করছেন। একের পর এক চাপ সৃষ্টি করা হলেও বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ করেন। এরপর অদৃশ্য শক্তির প্রভাব বিস্তার করে ফেল করা ডাক্তাররা তাদের চাকরি দেয়ার জন্য হুমকি ও গালাগাল ,ভাঙচুর করছেন। তাদের কারণে ভার্সিটির চিকিৎসা ও শিক্ষার কার্যক্রমে সমস্যা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্বে প্রশাসন রহস্যজনক কারণে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। শিক্ষকরা বলেন, এসব ফেল করা ডাক্তার নিয়োগ দেয়া হলে ভার্সিটির চিকিৎসায় বিরূপ প্রভাব পড়বে এবং বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যে সুনাম রয়েছে তাও নষ্ট হবে। ফলে তাদের চাকরি না দেয়ার পক্ষে প্রশাসন অনড় রয়েছে। কিন্তু একটি চক্র তাদের ইন্ধন দিয়ে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করছেন।