• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, ৩০ আশ্বিন ১৪২৬, ১৫ সফর ১৪৪১

ফেরদৌসের পর গাজী নুরকেও ভারত ত্যাগের নির্দেশ

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯

image

চিত্রনায়ক ফেরদৌসের পর এবার বাংলাদেশি অভিনেতা গাজী আবদুন নুরের ভিসা বাতিল করে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গতকাল তাকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, মঙ্গলবার কলকাতা পুলিশের আওতাধীন বিদেশি নাগরিক নিবন্ধনকারী সংস্থা (এফআরআরও)-র কাছে গাজী নুরের ভিসা সংক্রান্ত বিশদ তথ্য চেয়ে পাঠায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তার বিরুদ্ধেও তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রচারের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই সক্রিয় হয়ে ওঠে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার কাছে প্রতিবেদন চায়। সেই প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করা হয়। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রের বরাত দিয়ে কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার জানিয়েছে, ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, দমদম লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সৌগত রায়ের প্রচারে একটি রোড শো-তে অংশ নেন বাংলাদেশি ওই অভিনেতা। তিনি রাজ্যের সাবেক মন্ত্রী, তৃণমূল নেতা মদন মিত্রের সঙ্গে প্রচারগাড়িতে ছিলেন। সেখান থেকে তাকে জনতার উদ্দেশে হাত নাড়তেও দেখা যায়।

বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী কর্মকর্তাদের কাছে মঙ্গলবার অভিযোগ জানান এবং তাদের অভিযোগের সপক্ষে একটি ভিডিও জমা দেন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বিদেশি নাগরিক ভারতে নির্বাচনে প্রচার করতে পারে কিনাÑ তা নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোন নির্দেশ না থাকায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক ওই অভিযোগ পাঠিয়ে দেন দিল্লির নির্বাচন সদনে। তবে গোটা বিষয় প্রকাশ্যে আসার পরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, অভিযোগ প্রমাণিত হলে ফেরদৌসের মতোই কড়া ব্যবস্থা নেয়া হবে বাংলা টেলিভিশনের একাধিক ধারাবাহিকে অভিনয় করা জনপ্রিয় ওই অভিনেতার বিরুদ্ধে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভিসার শর্ত লঙ্ঘন করেছেন গাজী নুর। এ কারণেই ফেরদৌসের মতো তার ভিসাও বাতিল করা হয়েছে। তবে ফেরদৌসের মতো তাকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে কিনাÑ তা জানা যায়নি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে। এদিকে গাজী নুরের বিষয়টি ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ হাইকমিশনকেও অবহিত করা হয়েছে বলে জানানো হয় আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে।