• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৯ আশ্বিন ১৪২৬, ২৪ মহররম ১৪৪১

প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী

সংবাদ :
  • বিশেষ প্রতিনিধি, ব্রুনাই থেকে

| ঢাকা , বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতে বিশেষ অবদানের জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা তার সরকারের দায়িত্ব।

তিনি বলেন, প্রবাসীরা তাদের অবস্থানকারী দেশগুলোর অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ভূমিকা রাখছে। তিনি গতকাল ব্রুনাইয়ের রাজধানীর জালান কেবাংসান কূটনৈতিক জোনে চ্যান্সেরি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে ভাষণকালে এ কথা বলেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন ও ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশের হাইকমিশনার এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) মাহমুদ হোসেইন অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশির সংখ্যা বেশি এমন সব দেশে নিজস্ব মিশন নির্মাণের ওপর অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। তবে পর্যায়ক্রমে প্রতিটি দেশে বাংলাদেশের নিজস্ব মিশন ভবন নির্মিত হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রবাসীদের সংখ্যা বেশি এমন দেশগুলোতে তাদের ছেলে-মেয়েদের যথাযথ শিক্ষার জন্য অন্তত একটি করে বাংলাদেশি স্কুল প্রতিষ্ঠার নির্দেশ ইতোমধ্যে দেয়া হয়েছে। ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশের চ্যান্সেরি ভবনের স্থাপত্য নকশার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় আবহাওয়া, পরিবেশ ও অবকাঠামোর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ভবনটি নির্মাণে গুরুত্বারোপ করেন। মিশন ভবনের সুন্দর নকশা তৈরির জন্য প্রধানমন্ত্রী এর স্থপতি রোজাইন মেরি যান্তি ও তার টিমকে ধন্যবাদ জানান। রোজাইন মেরি একজন আইনপ্রণেতা এবং তিনি কয়েকবার বাংলাদেশে এসেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই চ্যান্সেরি ভবনের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিরা অনেক সেবা পাবেন এবং যা তাদের এ দেশে স্বচ্ছন্দে চলাফেরায় সহায়তা করবে। এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ১৮ মাসে নির্মিতব্য এই ভবনটি উদ্বোধনে তিনি আবারও ব্রুনাই সফর করবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার একটার পর একটা বাংলাদেশ মিশন নির্মাণ করছে। ইতালিতে বাংলাদেশ চ্যান্সেরি ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবনটি উদ্বোধনের জন্য তিনি ইতালি সফর করবেন।

ব্রুনাইকে একটি সুন্দর দেশ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্রুনাইয়ের মতো এখনো আরও অনেক সুন্দর স্থান রয়েছে, যার খোঁজ এখনো বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা পায়নি। এই স্থানগুলো আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের নতুন গন্তব্য হতে পারে।

পরে তিনি রয়েল রেজালিয়া মিউজিয়াম পরিদর্শন করেন।