• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শনিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ১৬ ফাল্গুন ১৪২৬, ৪ রজব ১৪৪১

ধলেশ্বরী তীরের ৬০টি স্থাপনা উচ্ছেদ

সংবাদ :
  • মাহমুদ আকাশ

| ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৯ এপ্রিল ২০১৯

বুড়িগঙ্গা ও তুরাগের পর এবার শীতলক্ষ্যা, ধলেশ্বরী ও বালু নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। গতকাল মুন্সীগঞ্জের ধলেশ্বরী নদীর তীরে ৫টি পাকা বাড়িসহ ৬০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। আজ থেকে বালু ও তুরাগ নদীর তীরে তৃতীয় দফা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্ব মিরপুরের বীরুলিয়া ব্রিজ হতে আশুলিয়ার ধউর ব্রিজ পর্যন্ত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে বলে জানা গেছে।

এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি থেকে ২৮ মার্চ ২ হাজার ৮৭৭টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে বিআইডব্লিউটিএ। এ সময়ে ৫৮ একর জমি অবমুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

জানা গেছে, ঢাকার চারপাশের বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে ২০০ শতাধিক অবৈধ ডকইয়ার্ডসহ ৫ হাজার অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করেছে বিআইডব্লিউটিএ। এরমধ্যে মুন্সীগঞ্জ জেলায় ১৪১টি ও নারায়ণগঞ্জ জেলায় ১১৮টি অবৈধ স্থাপনা রয়েছে। এ তালিকায় রয়েছে প্রভাবশালীদের ডকইয়ার্ড, কাঁচাবাজার, রাইসমিল, স’মিলসহ বিভিন্ন কলকারখানা। নদীর জমিতে ইট, বালুসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য স্থাপনা রয়েছে। এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে বলে সংস্থাটির সূত্র জানায়।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ ঢাকা নদী-বন্দরের যুগ্ম-পরিচালক একেএম আরিফ উদ্দিন সংবাদকে বলেন, সোমবার থেকে তুরাগ ও বালু নদী অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে। এই অভিযান ১২ দিন চলবে। এ সময় নদীর সীমানা পিলারের ভিতরে সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। এদিকে নারায়ণগঞ্জের নদীবন্দর কর্তৃপক্ষ গতকাল ধলেশ্বরী নদী তীরে মুন্সিগঞ্জের মিরকাদিম ঘাট থেকে কাটপট্টি ঘাট পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। আজ আবার অভিযান পরিচালনা করা বলে সংস্থাটির সূত্র জানায়। এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ বন্দরের যুগ্ম-পরিচালক গুলজার আলী সংবাদকে বলেন, রোববার থেকে নারায়ণগঞ্জ বন্দর কর্তৃপক্ষ থেকে নদীর তীরে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। এই অভিযানে ধলেশ্বরী নদী তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এই অভিযান সোমবার পর্যন্ত চলবে। আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। আরএস, সিএস ও জিপিএসের মাধ্যমে আমরা নদীর সঠিক সীমানা নির্ধারণে যৌথ জরিপ কার্যক্রম চালাচ্ছি। পাশাপাশি উচ্ছেদ অভিযানও চলবে। জরিপ কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর আরও যেসব অবৈধ স্থাপনা পাওয়া যাবে সেগুলো ভাঙা হবে। কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমোডর মাহবুব-উল-ইসলাম সংবাদকে বলেন, নদী দূষণ ও দখলদার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সরকার। দখলদার যত শক্তিশালী হোক না কেন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। চারটি নদীর তীর উচ্ছেদ করে সীমানা পুনরায় নির্ধারণ করা হবে। এরজন্য ১০ হাজার সীমানা পিলার স্থাপন করা হবে।