• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২

দেশে খাদ্য সংকট হবে না : খাদ্যমন্ত্রী

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , রোববার, ১০ মে ২০২০

চলতি বোরো মৌসুমে সারাদেশে বাম্পার ফলন হয়েছে জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, ‘দেশে খাদ্যের অভাব হবে না। সঠিক সময়ে নতুন ফসল ঘরে তুলতে পারলে খাদ্যের সমস্যা হবে না, বরং খাদ্য উদ্বৃত্ত থাকবে।’

তিনি গতকাল রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবন থেকে নওগাঁ জেলার সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন। পরে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

ভিডিও কনফারেন্সে নওগাঁ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক, নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য সলিম উদ্দিন তরফদার, নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন জলিল জন, পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান, জেলা সিভিল সার্জন ডা. আখতারুজ্জামানসহ সেনা, বিজিবি, খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা বক্তব্য রাখেন। ভিডিও কনফারেন্সে জেলার করোনা পরিস্থিতি, চলতি বোরো ধান কাটা-মাড়াই, সরকারিভাবে ধান চাল সংগ্রহ, আমন উৎপাদন ও বাজার ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

সরকারের কাছে ধান বিক্রির জন্য নির্বাচিত কৃষক টিকিট মধ্যস্বত্বভোগীর কাছে বিক্রি করলে তার কার্ড (কৃষক হিসেবে তালিকাভুক্ত) বাতিল করা হবে বলেও জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ‘আশা করা যাচ্ছে চলতি বোরো মৌসুমে প্রায় তিন কোটি ৫০ লাখ টন চাল উৎপাদন হবে (বোরো এবং আমন)। এছাড়াও প্রায় ২০-২৫ লাখ টন আউশ ধান উৎপাদন হবে। এই উৎপাদন দিয়ে দেশের চাহিদা পূরণ করেও উদ্বৃত্ত থাকবে। তাই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সরকারিভাবে অন্য যে কোন বছরের তুলনায় এবার বেশি ধান চাল সংগ্রহ করা হচ্ছে, যা করোনা দুর্যোগ মোকাবিলায় বড় সহায়ক হবে।’

দেশে ধান ও চাল সংগ্রহ শুরু হয়েছে জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা করোনা মোকাবিলা করে এ সংগ্রহ কার্যক্রম চালাচ্ছেন। শস্য সংগ্রহে যাতে কোন অনিয়ম না হয় সেজন্য খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নজর রাখতে হবে।’

ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে সবাইকে সহযোগিতা ও করোনা মোকাবিলায় সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপদ দূরত্ব মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘লটারির মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের মধ্যে থেকে কৃষক নির্বাচন করা হবে। যদি কোন কৃষক তার টিকিট মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে বিক্রি করে তাহলে সেই কৃষকের কার্ড বাতিল করা হবে। সেসব মধ্যস্বত্বভোগীকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দেয়া হবে।’

খাদ্য মন্ত্রণালয় জানায়, আগে থেকেই সারাদেশে ৫০ লাখ পরিবারকে বছরে পাঁচ মাস প্রতি মাসে ৩০ কেজি চাল প্রতি কেজি ১০ টাকা করে বিতরণ করা হচ্ছে। করোনাকালীন কর্মহীন দরিদ্র মানুষের কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আরও ৫০ লাখ পরিবারের মাঝে প্রতি মাসে ৩০ কেজি চাল প্রতি কেজি ১০ টাকা করে দেয়ার জন্য সারাদেশে তালিকা তৈরির কাজ এগিয়ে চলছে।