• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ২০ আগস্ট ২০১৮, ৫ ভাদ্র ১৪২৫, ৭ জিলহজ ১৪৩৯

দুর্যোগ মোকাবিলায় দুর্যোগ ও জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণের দাবি

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , সোমবার, ৩০ এপ্রিল ২০১৮

দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি হিসেবে দুর্যোগ ও জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণকে অগ্রাধিকার দেয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশে দুর্যোগ নিয়ে কাজ করা ৩০টি অধিকারভিত্তিক নাগরিক সংগঠন, এনজিও এবং নেটওয়ার্ক। ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানা ভয়াল ঘূর্ণিঝড়ে নিহতদের স্মরণে গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মনববন্ধনে এ দাবি জানায় সংগঠনগুলো। এ সময় দুর্যোগ মোকাবিলায় জাতিসংঘ সংস্থা ও আইএনজিওদের সরাসরি প্রকল্প পরিচালনা থেকে সরে আসার এবং স্থানীয় এনজিওদের নেতৃত্ব¡ প্রদানে সুযোগ দেয়ারও দাবি জানানো হয়।

‘ভয়াল ২৯ এপ্রিল ১৯৯১ স্মরণ : দুর্যোগ ও জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণকে অগ্রাধিকার দিতে হবে’ শীর্ষক এই শিরোনামে মানববন্ধনটি যৌথভাবে আয়োজন করে অনলাইন নলেজ সোসাইটি, অর্পণ, আলোক যাত্রা, উদ্দীপন, উদয়ন বাংলাদেশ, উন্নয়ন ধারা ট্রাস্ট, এসডিও, কোস্ট ট্রাস্ট, জাতীয় কৃষাণী শ্রমিক সমিতি, জাতীয় শ্রমিক জোট, ডিজাস্টার ফোরাম, ডাক দিয়ে যাই, দ্বীপ উন্নয়ন সংস্থা, পিএসআই, পল্লী-বাংলা উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা, বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশন, বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশন, বাংলাদেশ ভূমিহীন সমিতি, বাংলাদেশ কৃষি ফার্ম শ্রমিক ফেডারেশন, বিডিপিসি, মুক্তির ডাক, লেবার রিসোর্স সেন্টার, সংগ্রাম, সিডিপি, সংকল্প ট্রাস্ট, নেচার ক্যাম্পেইন, নাহাব, নিরাপদ, প্রান্তজন ও ড্যাকোপ। কোস্ট ট্রাস্টের সহকারী পরিচালক মোস্তফা কামাল আকন্দের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে আয়োজকদের পক্ষ থেকে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন একই সংস্থার সহকারী পরিচালক শওকত আলী টুটুল। আরও বক্তব্য রাখেন অর্পণের আব্দুল কাদের হাজারী, বাংলাদেশ ভূমিহীন সমিতির সুবল সরকার, বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশনের জায়েদ ইকবাল খান, ডিজাস্টার ফোরামের তাজুল ইসলাম, বিডিডিপিসির লাইলা কবির প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, দেশে এখনও দুর্যোগ এবং জলবায়ু সহনশীল তেমন কোন অবকাঠামো তৈরি হয়নি। একটি দেশের উন্নয়ন বা প্রবৃদ্ধির জন্য মেট্রোরেল, বিদ্যুৎ, সেতু, ফ্লাইওভার, চার লেনে রাস্তা, বহুতল ভবন, এক্সপ্রেসওয়ে অবশ্যই দরকার আছে কিন্তু দুর্যোগ প্রবণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবে আক্রান্ত একটি দেশের জন্য দুর্যোগ এবং জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ প্রথম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।

বক্তারা আরও বলেন, প্রলয়ঙ্করি এই ধ্বংসযজ্ঞের ২৭ বছর পার হলেও এখনও স্বজনহারাদের আর্তনাদ থামেনি বরং বাড়ছে আতঙ্ক। ক্ষতি না কাটতেই উপকূলে সিডর, আইলা, মহাসেন, রোয়ানু, নাডা ও কোমেন নামক সাইক্লোন একের পর এক আঘাত হানছে উপকূলে। দিশেহারা উপকূলের জনগণ, নিজেদের সক্ষমতা দিয়ে মোকাবিলা করছে এগুলোর। তিনি চরের মানুষের উপযোগী জীবিকায়ন কর্মকা-ে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা বাড়ানোর দাবি করেন। এ সময় বক্তারা উপকূলীয় এলাকায় লোনা পানির অনুপ্রবেশ রোধ এবং মিঠা পানির বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানান।