• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০, ০১ শ্রাবণ ১৪২৭, ২৪ জিলকদ ১৪৪১

গ্রাম-শহরের বৈষম্য কমাতে

জেলা বাজেট চায় সংসদীয় ককাস

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০১৯

শহরের সঙ্গে গ্রামের সামাজিক বৈষম্য কমাতে জেলা বাজেট অপরিহার্য মনে করছে জাতীয় পরিকল্পনা ও বাজেট সম্পর্কিত সংসদীয় ককাস। তারা বলছেন, প্রবৃদ্ধি বাড়ার পাশাপাশি সামাজিক বৈষম্যও বেড়েছে। প্রান্তিক অঞ্চলের কথা মাথায় রেখেই বাজেট প্রণয়ন করতে হবে। এ জন্য জেলা বাজেটের বিকল্প নেই। বাজেট সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করে তোলার প্রতিও গুরুত্বারোপ করেন তারা। তাই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। গতকাল বাজেট সংক্রান্ত এক সভায় এ আহ্বান জানানো হয়।

‘শান্তি ও সমতার জন্য বাজেট : জনবাজেট সংসদ ২০১৯ বিকল্প বাজেট’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে দিনব্যাপী এ সভায় সভাপ্রধানের বক্তব্যে জাতীয় পরিকল্পনা ও বাজেট সম্পর্কিত সংসদীয় ককাসের আহ্বায়ক ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, প্রান্তিক অঞ্চলের কথা মাথায় রেখেই বাজেট প্রণয়ন করতে হবে। এ জন্য জেলা বাজেটের বিকল্প নেই। প্রবৃদ্ধি বাড়ার পাশাপাশি সামাজিক বৈষম্যও বেড়েছে। শহরের সঙ্গে গ্রামের বৈষম্য কমাতে জেলা বাজেটের বিষয়টি এবারের বাজেট আলোচনায় উত্থাপন করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

সভায় সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান বাজেট ঘোষণার পর সাত দিন বাজেট অধিবেশন মুলতবি রেখে সেটি সংসদীয় কমিটির কাছে আলোচনার জন্য পাঠানোর সুপারিশ করেন। এতে সংসদীয় কমিটিগুলো বাজেট নিয়ে সংশ্লিষ্ট সেক্টরগুলোর মতামত নিতে পারবে বলে মনে করেন তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, খাত ধরে ধরে বাজেট প্রণয়নের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হয়নি। ফলে বাজেটের সঙ্গে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো যায়নি। জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে বাজেট কাঠামোরই আমূল পরিবর্তন দরকার বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, ধনী-গরিববৈষম্য আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। ফলে বিষয়টি মাথায় রেখেই আগামীর বাজেটটি প্রণয়ন করতে হবে। যদি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা না যায়, তাহলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা হুমকির মধ্যে পড়বে বলে অনেকে মতামত দিয়েছেন। অধিকাংশ সাংসদ ব্যবসায়ী হওয়ায় বাজেট জনবান্ধব না হয়ে অনেকে ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীবান্ধবও হয়ে উঠছে। তবে নিজ নিজ জায়গা থেকে আন্দোলন গড়ে তুললে একটি গণতান্ত্রিক বাজেট আদায় করা সম্ভব।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, সরকারের কাছে কোনো খাতই কম বা বেশি গুরুত্ব নয়। সরকার সব খাতকে সমান গুরুত্ব দিয়েই বাজেট প্রণয়ন করে। শুধু বাজেট নয়, বিদ্যমান যে শ্রম আইন আছে- সেটি যদি প্রতিষ্ঠানগুলো মেনে চলে, তাহলে দেশের উন্নয়ন করা সম্ভব।