• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৭ আশ্বিন ১৪২৬, ২২ মহররম ১৪৪১

চালের দাম স্থিতিশীল রাখার আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , শুক্রবার, ১১ জানুয়ারী ২০১৯

চালের দাম স্থিতিশীল রাখার আহ্বান জানিয়ে ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, ‘চাল ব্যবসায়ীদের বেশিরভাগ উত্তরবঙ্গের। আমরা দুই মন্ত্রীও (বাণিজ্যমন্ত্রী ও খাদ্যমন্ত্রী) উত্তরবঙ্গের। তাই আপনাদের কাছে আমাদের দাবি, আপনারা আমাদের ইজ্জত রাখবেন। খাদ্যমূল্য স্থিতিশীলতায় আপনারা সহযোগিতা করবেন।’ এ সময় বিভিন্ন জেলার চাল ব্যবসায়ীরা চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সব ধরনের সহযোগিতা করতে আশ্বাস দেন।

গতকাল রাজধানীর খাদ্য ভবনে চালকল মালিক এবং চাল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে খাদ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন। সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশিও উপস্থিত ছিলেন। দেশে বাম্পার ফলন হয়েছে জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে ১৩ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিকটন খাদ্য মজুদ রয়েছে। কোন ঘাটতি নেই। এরপরও কেন চালের দাম বাড়ছে আমরা তা জানি না।’

সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ‘দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। পর্যাপ্ত মজুদও আছে। খাদ্যে কোন সমস্যা নেই। যদি কোন অসৎ উদ্দেশ্য না থাকে তাহলে চালের দাম বাড়ার কোন কারণ নেই।’

সভায় চালকল মালিকদের সংগঠন ‘অটোমিলার অ্যান্ড হাসকিং মিল’ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক লায়েক আলী খান বলেন, ‘মিলগুলোতে চালের দাম বাড়েনি। নির্বাচনের সময় কিছু কিছু জায়গায় চিকন চালের দাম বেড়েছিল। তাও সর্বোচ্চ ৫০ পয়সা। তবে কোন মিলে মোটা চালের দাম বাড়েনি।’

নওগাঁর চাল ব্যবসায়ী বেলাল হোসেন বলেন, ‘আজকে নওগাঁয় মিনিকেট চাল ৪৭ টাকা ৮০ পয়সা, এ চাল ঢাকায় কিভাবে ৬৮ থেকে ৭০ টাকা বিক্রি হয় এটা খতিয়ে দেখেন।’

ঢাকার বাবুবাজার-বাদামতলী আড়ৎদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজি নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘নির্বাচনের সময় বিভিন্ন কারণে মোটা ও চিকন চালের দাম দুই থেকে তিন টাকা বেড়েছে। এখানে দেশে বড় বড় মিল ও আড়ৎদাররা আছেন। তারা যদি সিদ্ধান্ত নেন চালের দাম আর বাড়াবো না। তাহলে আর বাড়বে না। তারা যদি বলেন এক থেকে দুই টাকা চালের দাম কমবে তাহলে কাল থেকেই কমে যাবে। কারণ সারা দেশে তারাই চাল জোগান দেন।’