• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, ৩০ আশ্বিন ১৪২৬, ১৫ সফর ১৪৪১

গণমাধ্যম কর্মীদের সুরক্ষায় আইন হচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯

গণমাধ্যম কর্মীদের সুরক্ষায় ‘গণমাধ্যম কর্মী আইন’ এবং ‘সম্প্রচার আইন’ নামে দুটি নতুন আইন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। গতকাল সচিবালয়ে সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্রের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আইন দুটির খসড়া বর্তমানে আইন মন্ত্রণালয়ে রয়েছে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ২৪ এপ্রিল থেকে সংসদের যে অধিবেশন বসবে, সেখানে এ দুটি বিল পাঠানো সম্ভব হবে না। তবে পরবর্তী অধিবেশনে যাতে তোলা যায়, সেই চেষ্টা সরকার করছে। আমরা আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলেছি যাতে দ্রুত আমাদের কাছে আসার পর সেগুলো মন্ত্রিসভা হয়ে সংসদে উপস্থাপন করতে পারি। এ দুটি আইন যখন কার্যকর হবে, যখন আইনে রূপান্তরিত হবে, আমি মনে করি আজকে যে সমস্যাগুলোর কথা আপনারা বলছেন তখন সেগুলোর আইনি প্রটেকশন আমরা দিতে পারব, এটি অত্যন্ত জরুরি।

বৈঠকে চাকরিচ্যুত সাংবাদিকদের জন্য আপৎকালীন ভাতা দেয়ার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করেছেন। কেউ মারা গেলে বা অসুস্থ হলে এই ট্রাস্ট ফান্ড থেকে সাহায্য করা যায়, অন্য কোন কারণে সাহায্য করা যায় না। ইতোমধ্যে আমরা আলোচনা করেছি, ট্রাস্টের নিয়ম পরিবর্তন করার জন্য, যাতে সাংবাদিকরা সাহায্য পেতে পারেন।

বিদেশি চ্যানেলের মাধ্যমে ‘হাজার কোটি টাকার বিজ্ঞাপন দেশের বাইরে চলে যাওয়ায়’ বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলগুলোতে অর্থ সংকট হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। এই অর্থ সংকটের কারণে সাংবাদিক ভাই-বোনদের বেতন দেয়ার ক্ষেত্রে নানা রকম সমস্যা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে বার্তা বিভাগ বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে, এগুলোর কোনটাই হত না যদি বিদেশে বিজ্ঞাপন চলে না যেত। আর একটা সমস্যা নিউ মিডিয়া- ইউটিউব, ফেইসবুক, নেটফ্লিক্স, গুগলে আমাদের দেশের অনেক বিজ্ঞাপন চলে যাচ্ছে, যেগুলো থেকে আমরা কোন ট্যাক্স পাচ্ছি না। এ বিষয়ে আমি আলোচনা করেছি, এগুলো শৃঙ্খলার মধ্যে আনার জন্য আমরা উদ্যোগ নেব। বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধে আইনের কড়াকড়ি আরোপ করা হবে। এ বছরের মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রামের পাশাপাশি সব সিটি করপোরেশন এলাকায় কেবল টিভির ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

বৈঠকের শুরুতে সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্রের সম্পাদক একাত্তর টিভির শাকিল আহমেদ বলেন, টিভি সাংবাদিকরা চাকরিচ্যুত হচ্ছেন, বেতন হচ্ছে না, সময়মত ইনক্রিমেন্ট হচ্ছে না, তারা সংকটে আছেন। সাংবাদিকদের সম্মান, অবস্থান এবং সামাজিক মর্যাদা রক্ষা করতে হবে।