• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শনিবার, ০৬ জুন ২০২০, ২৩ জৈষ্ঠ ১৪২৭, ১৩ শাওয়াল ১৪৪১

গণমাধ্যম আইন বাস্তবায়নের পথে -তথ্যমন্ত্রী

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৯

তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়মী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, গণমাধ্যমকর্মী আইন বাস্তবায়নে অগ্রগতি হয়েছে। এ আইন জাতীয় সংসদে পাস হলে গণমাধ্যমকর্মীদের আর শ্রমিক হিসবে আখ্যা দেয়া যাবে না। গতকাল প্রেস ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)-এ ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার ও পিআইবির যৌথ আয়োজনে ‘সম্প্রচার গণমাধ্যমের সংকট’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

পিআইবির মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন বিএফইউজের সভাপতি মোল্লা জালাল, ডেইলি অবজারভারের সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী, একাত্তর টিভির সিইও মোজাম্মেল বাবু, সারাবাংলা ডটনেট ও জিটিভির এডিটর ইন চিফ সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী, ব্রডক্রাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের চেয়ারম্যান রেজওয়ানুল হক রাজা, একাত্তর টিভির হেড অব কন্টেন্ট নূর সাফা জুলহাজ প্রমুখ।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে সম্প্রচার আইন বহু আগেই আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তবে আইন মন্ত্রণালয় থেকে এখনও প্রতিউত্তর আসেনি। তিনি বলেন, টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর জন্য অষ্টম ওয়েজ বোর্ডের আলোকে একটি নীতিমালা তৈরি করা দরকার। প্রত্যেক কর্মীকেই নিয়োগপত্র দেয়া উচিৎ। অনুষ্ঠানে টেলিভিশন মালিকদের উদ্দেশে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সাংবাদিক ভাইদের বঞ্চিত করবেন না। তারা অনেক কষ্ট করে চ্যানেলগুলো চালায়। তারা যদি সবাই একযোগে স্ট্রাইক করে দেয় তবে কী হবে? অহেতুক কাউকে চাকরিচ্যুত করবেন না, এটাই আমার প্রত্যাশা।

অনুষ্ঠানে আয়োজকদের পক্ষে জানানো হয়, কমপক্ষে ১৮টি চ্যানেলে ২ থেকে ৫ বছর ধরে ইনক্রিমেন্ট বন্ধ। এক থেকে তিন মাসের বকেয়া আছে ৮ থেকে ১০টি চ্যানেলে। ছয় মাসের বকেয়া আছে ২টি চ্যানেলে। গত এক বছরে কমপক্ষে ৯টি চ্যানেল থেকে জনবল ছাটাই করা হয়েছে। বার্তাবিভাগ বন্ধ করা দেয়া হয়েছে ১টি চ্যানেলে। ৩০টি টিভি চ্যানেলের ২৮টিতে নেই গ্রাচ্যুইটি, ২৫টিতে নেই প্রভিডেন্ট ফান্ড। বিজ্ঞাপনের বড় একটি অংশ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বা দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে। দ্রুত গণমাধ্যমকর্মী আইন বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।