• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ৬ ফল্গুন ১৪২৬, ২৪ জমাদিউল সানি ১৪৪১

খালেদা জিয়ার সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যসেবা দিতে সরকার আন্তরিক : তথ্যমন্ত্রী

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি প্রধান বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিয়মিত করা হচ্ছে এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অধীনে তার চিকিৎসা চলছে। তাকে (খালেদা জিয়া) সর্বোচ্চ তাকে সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা দিতে সরকার সর্বদা আন্তরিক। গতকাল বিশ্ব বেতার দিবস-২০২০ উপলক্ষে বাংলাদেশ বেতার আয়োজিত র‌্যালি উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। পরে তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ বেতার আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক হোসনে আরা তালুকদারের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন তথ্য সচিব কামরুন নাহার। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বেতারের প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ কামরুজ্জামান।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার পরিবার তার মুক্তি চায়। কিন্তু বিএনপির পক্ষ থেকে এ ধরনের কোন দাবি এখনও পর্যন্ত উপস্থাপন করা হয়নি। এমন কী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে এ বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি এ সম্পর্কে কিছু জানেন না বলে জানান।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বেগম জিয়াকে কারাগারে না রেখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে রাখা হয়েছে। তাকে তার পছন্দের গৃহপরিচারিকাকে সঙ্গে রাখার অনুমতি দেয়া হয়েছে। এটা শুধু বাংলাদেশের ইতিহাসে নয়, সমগ্র ভারত উপমহাদেশে এ ধরনের কোন নজির রয়েছে কী না আমার জানা নেই। তথ্যমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার যেসব শারীরিক সমস্যা রয়েছে, তা অনেক পুরনো সমস্যা। এসব সমস্যা নিয়েই তিনি দুই বার প্রধানমন্ত্রী এবং দুই বার বিরোধী দলের নেতার দায়িত্ব পালন করেছেন। বিভিন্ন সময়ে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। কিন্তু বিএনপির পক্ষ থেকে সব সময় তার স্বাস্থ্য সমস্যাকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করা হয়। এখন যে কথাগুলো বলা হচ্ছে, তা ওই অপচেষ্টারই ধারাবাহিকতা। তাকে সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা দিতে সরকার আন্তরিক।

বাংলাদেশ বেতার প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রকৃতপক্ষে বেতার হচ্ছে এমন একটি গণমাধ্যম যা প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। বঙ্গোপসাগরে মাঝি-মাল্লারা বেতারের মাধ্যমে দুর্যোগ-দুর্বিপাকের বার্তা পায়। এছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাংলাদেশ বেতার। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস জুড়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণার কেন্দ্রবিন্দু। স্বাধীন বাংলা বেতারের গান, খবর ও অনুষ্ঠানমালা শুনে তারা উজ্জীবিত হতো। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন বাংলাদেশ বেতারের ইতিহাস স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।