• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ১ বৈশাখ ১৪২৮ ১ রমজান ১৪৪২

কুড়িগ্রামে দুই দিনব্যাপী ভাওয়াইয়া উৎসব শুরু

    সংবাদ :
  • সাংস্কৃতিক বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০

image

কুড়িগ্রাম : দুই দিনব্যাপী জাতীয় ভাওয়াইয়া উৎসব উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খলিদ এমপি -সংবাদ

কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণ শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী ভাওয়াইয়া উৎসব ২০২০। শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে এবং জেলা প্রশাসন ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায় এই উৎসব চলছে। গতকাল সকাল ১০টায় উৎসব উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ এমপি। মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ভাওয়াইয়ার সুতিকাগার হল কুড়িগ্রাম সেজন্য আমরা জাতীয় ভাওয়াইয়া উৎসব কুড়িগ্রামে করছি। এটি ব্রান্ডিং করার কথা প্রধানমন্ত্রী বলেছেন। সেটি বাস্তবায়ন করা হবে। আগামী অর্থ বছরে করা যায় কী না সেটি আমরা চেষ্টা করব।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘এ দেশের বরেণ্য ব্যক্তি ও প্রখ্যাত লেখক সৈয়দ শামসুল হকের স্মৃতি ধরে রাখার জন্য কুড়িগ্রামে একটি স্মৃতি কমপ্লেক্স করার জন্য নকসা তৈরির কাজ নতুনভাবে করা হচ্ছে। এখনও বাজেট হয়নি। নকসা তৈরি হলে স্মৃতি কমপ্লেক্সের কাজ দ্রুত শুরু করা হবে।’ শিল্পকলা একাডেমির সচিব বদরুল আনম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোছা. সুলতানা পারভীন, কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম এবং কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাফর আলী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন শিল্পকলা একাডেমির সঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের পরিচালক সোহরাব উদ্দীন ম-ল। উদ্বোধনী আলোচনা শেষে বিকেল ৪টায় সাংস্কৃতিক পর্বে একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন শিল্পী ডালিম কুমার-ও ভাই শোনরে মুসলমান, দুলাল বসাক-ওকি হায়রে হায়, রতœা-ও মোর কালারে, রহিম-ওরে ভাবের ছলে, উর্মি-জয় বাংলা জয় বাংলা, ঝিমি-কালিছাত পারিছু, পঞ্চানন-ও কি গাড়িয়াল ভাই, সাজু-শুনতার যদি চানগো বন্ধু, ভবতরণ বর্মণ-ও প্রাণের চিলমারী, শিবলী সাদিক আতিক-কি দিয়া বান্ধিয়া রাখবোরে, নাজমুল হুদা-ফান্দে পড়িয়া বগা, মদন মোহন রায়-বন্ধু কাজ ভ্রমরারে, জাহাঙ্গীর হোসেন জিহাদ-ও কি নাইওর যাও, পুতুল রায়-ওরে ছারিলু মুই, সীমান্ত-ও মোর সোনার কন্যারে, নিশি- যে জন প্রেমের ভাব জানেনা, জাকির-বাবা কেরামত আলী, ভূপতি ভূষন বর্ষা-আশা রাখে ডুবু ডুবু, দ্বৈত সঙ্গীত পরিবেশন করে শিল্পী মিলন ও পারুল, এছাড়াও একক সঙ্গীত পরিবেশন করে শিল্পী জীবন পাল, দয়া,, সজিব, রাজ কুমার বর্মণ ও রহিমা কলিতা বেগম। সমবেত সঙ্গীত পরিবেশন করে বাউল দল, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, ঢাকা-তোরষা নদীর উথাল পাথাল এবং চলেরে মোর গুরুর গাড়ীরে, জেলা শিল্পকলা একাডেমি কুড়িগ্রাম ও সোনা বন্ধু ধন, সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে জেলা শিল্পকলা একাডেমি রংপুরের নৃত্যশিল্পীরা-রঙ্গে রসে ভরপুর, ও মুই না শোনং এবং বাওকুমটা বাতাসে।