• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২০, ১৬ জিলহজ ১৪৪১, ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭

অর্থপাচার

এবি ব্যাংকের ৫ কর্মকর্তাকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , বুধবার, ০৩ জানুয়ারী ২০১৮

বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে সিঙ্গাপুরে অফসোর কোম্পানি সৃষ্টি করে অর্থ পাচারের অভিযোগ তদন্তে এবি ব্যাংকের ৫ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। গতকাল সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত পাঁচ ঘণ্টা ওই ৫ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন ও সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ারের নের্তৃতাধীন টিম। এ নিয়ে এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক এবং পরিচালক ফজলার রহমান, শামিম আহম্মেদ চৌধুরীসহ মোট ৯ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক। আগামী ৭ জানুয়ারি আরও ৬ পরিচালকসহ ৮ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা রয়েছে। গত সোমবার তাদের নোটিশও দিয়েছে দুদক। দুদকের উপ-পরিচালক প্রণব কুমার ভট্টচার্য জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজির থাকার নোটিস পেয়ে গতকাল সকালে দুদকে হাজির হন এবি ব্যাংকের হেড অব করপোরেট মাহফুজ উল ইসলাম, হেড অব অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট (ওবিইউ) মোহাম্মদ লোকমান, ওবিইউর কর্মকর্তা মো. আরিফ নেয়াজ, কোম্পানি সচিব মাহদেব সরকার সুমন ও প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তা এমএন আজিম। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত অর্থ পাচারের সঙ্গে কে কিভাবে জড়িত, কার কার যোগসূত্র রয়েছে, কোন লাভের কারণে এভাবে অর্থ পাচার করা হয়েছে এসব বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর সৈয়দ ইকবাল হোসেনের সই করা এক নোটিসে ওই পাঁচ কর্মকর্তাকে তলব করা হয়।

একই অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের ছয় সদস্যকে ৭ জানুয়ারি হাজির থাকার নির্দেশনা দিয়ে নোটিস দিয়েছে দুদক। এই পরিচালকরা হলেন- শিশির রঞ্জন বোস, মেজবাহুল হক, ফাহিমুল হক, সৈয়দ আফজাল হাসান উদ্দিন, রুনা জাকিয়া ও মো. আনোয়ার জামিল সিদ্দিকী। এছাড়া ব্যাংকটির গ্রাহক ও অর্থ পাচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ব্যবসায়ী সাইফুল হককে ৪ জানুয়ারি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে।

এর আগে অর্থ পাচারের ওই অভিযোগে গত ২৮ ডিসেম্বর ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ফজলার রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক। ৩১ ডিসেম্বর সাবেক এমডি শামীম আহমেদ চৌধুরী ও ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন অ্যান্ড ট্রেজারি শাখার প্রধান আবু হেনা মোস্তফা কামালকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। অর্থ পাচারের ঘটনায় ব্যাংকটির ঊর্ধ্বতন ১২ কর্মকর্তার বিদেশ ভ্রমণে দুদকের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।