• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ১৪ আগস্ট ২০১৮, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৫, ২ জিলহজ ১৪৩৯

উন্নয়নশীল বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত নিতে নিউইয়র্কে বৈঠক শুরু

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , বুধবার, ১৪ মার্চ ২০১৮

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ত্রিবার্ষিক বৈঠকে বসেছে কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি)। আগামী ১৬ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য এই বৈঠকেই স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকাভুক্ত করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। বাংলাদেশসহ আরও ১৫টি দেশ রয়েছে এই তালিকায়। এর মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার দুটি দেশ নেপাল ও ভুটান রয়েছে। স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য তিনটি সূচক বিবেচনা করা হয়। তিন বছরের গড় মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা সূচক।

দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানাচ্ছে, সিডিপির বৈঠকে বাংলাদেশের ২০১৪, ২০১৫ ও ২০১৬ এই তিন বছরের সূচকের তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করা হবে। একটি দেশকে উন্নয়নশীল তালিকাভুক্ত হতে মানবসম্পদ উন্নয়নে ১০০-এর মধ্যে ৬৬ পয়েন্ট থাকতে হয়; বাংলাদেশের রয়েছে ৬৮ দশমিক ৭ পয়েন্ট। অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতায় ৩২ পয়েন্টের নিচে থাকতে হয়; বাংলাদেশ রয়েছে ২৫ দশমিক ১১ পয়েন্টে। আর জাতীয় মাথাপিছু আয় (জিএনআই) ১ হাজার ২৪২ মার্কিন ডলার হতে হয়; বাংলাদেশ এরই মধ্যে পৌঁছে গেছে ১ হাজার ৬১০ ডলারে।

বাংলাদেশকে অবশ্য সূচকের এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হবে ২০২১ সাল পর্যন্ত। ২০২২ সালের শেষের দিকে জাতিসংঘের নির্ধারিত নিয়মে সূচকের তথ্যগুলোর সমন্বয়ে চূড়ান্ত হিসাব তৈরি করা হবে। ২০২৪ সালের মার্চে সিডিপির নতুন বৈঠকে চূড়ান্ত অনুমোদন হলে তা পাঠানো হবে ইকোসোকে। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে চূড়ান্ত করে জাতিসংঘে প্রতিবেদন পাঠাবে ইকোসোক। সাধারণ অধিবেশনে তা স্বীকৃতি পেলে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পাবে। এসব প্রক্রিয়ায় মোট ৬ বছর লাগবে। সে পর্যন্ত বাংলাদেশকে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক অর্থনীতিবিদ খোন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম সম্প্রতি এক সংলাপে বলেছেন, বাংলাদেশ এই তালিকায় উন্নীত হলে বৈদেশিক সহায়তা ও বাণিজ্যিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারে। যেমন তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা, যা বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি আয়ের সংস্থান করে।

সিপিডির সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এক সংলাপে বলেছেন, দেশের ভেতরে স্থিতিশীলতা না থাকলে, এই উত্তরণকে আমরা একটি সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে পিছিয়ে যাব।