• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ১৪ কার্তিক ১৪২৭, ১২ রবিউল ‍আউয়াল ১৪৪২

কিশোরগঞ্জে

ইতালি প্রবাসী রিমান্ডে

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, কিশোরগঞ্জ

| ঢাকা , বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২০

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা মিঠামইনে এক ইতালি প্রবাসী কোয়ারেন্টিন (সঙ্গ নিরোধ) অমান্য করে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। খবর পেয়ে মিঠামইন থানার পুলিশ গিয়ে তাকে কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশনা দেয়ায় উল্টো পুলিশের বিরুদ্ধে কোয়ারেন্টিনে নেয়ার হুমকি দিয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবির অভিযোগ তোলেন। তিনি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এ সংক্রান্ত খবরও প্রচার করিয়েছেন। এরপর সেগুলি ফেসবুকে প্রচারও করেছেন। কিন্তু তদন্তে অভিযোগ মথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দিয়ে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে ৮ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।

মিঠামইন থানার ওসি জাকির রাব্বানী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিঠামইনের ঘাগড়া শেখেরহাটি গ্রামের শেখ মিলনের ছেলে শেখ ইকবাল ইতালির রোম শহর থেকে গত ৭ মার্চ বাড়ি আসেন। তিনি কোয়ারেন্টিনে না থেকে যত্রতত্র ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। বিষয়টি এলাকাবাসী স্থানীয় প্রশাসনকে জানালে মিঠামইন থানার দুই এসআই নজরুল ইসলাম ও কিরণ ১৩ মার্চ ইকবালের বাড়িতে গিয়ে তাকে কোয়ারেন্টিনে থাকার পরামর্শ দেন। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানিয়ে দেন। এতে শেখ ইকবাল দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে কোয়ারেন্টিনের হুমকি দিয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবির অভিযোগ তোলেন। তিনি বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদও প্রচার করিয়েছেন। বিষয়টি পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদের নজরে আসলে তিনি অষ্টগ্রাম সার্কেলের এএসপি আজিজুল হককে তদন্তের দায়িত্ব দেন। তদন্তে অভিযোগটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় এসআই নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে ২২ মার্চ মিঠামইন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে শেখ ইকবালসহ অজ্ঞাত আরও ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আর এদিন রাতেই শেখ ইকবালকে গ্রেফতার করে গতকাল ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাসলিমা আক্তার শুনানি শেষে ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন বলে জানিয়েছেন কোর্ট পরিদর্শক চৌধুরী মিজানুজ্জামান। তবে ইকবালের দেহে প্রাথমিক আলমতে করোনার লক্ষণ মনে হয়নি বলে ওসি জাকির রাব্বানী জানিয়েছেন।

এদিকে কিশোরগঞ্জের জেল সুপার বজলুর রশিদ জানিয়েছেন, শেখ ইকবালকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠালে সম্পূর্ণ আলাদা ব্যবস্থাপনায় রাখা হবে। এমনকি ইদানিং যেসব আসামিকে কারাগারে পাঠানো হচ্ছে, তাদেরকেও পুরনো কারাবন্দিদের সঙ্গে না রেখে অন্তত ১৪ দিন আলাদা ওয়ার্ড বা সেলে রাখা হচ্ছে।