• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২০, ১৯ চৈত্র ১৪২৬, ৭ শাবান ১৪৪১

আমি আমার সন্তানকেই চাই -বিদিশা

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৯

বিদিশা এরশাদ বলেছেন, আমি আমার সন্তানকে চাই। মা হিসেবে শুধু আমি আমার সন্তানকেই চাই। আমি ঠিকানা বদল করার জন্য এখানে আসিনি। সন্তান এরিক এরশাদের অধিকার আমি ছাড়ব না। এ সময় শুধুমাত্র সম্পত্তির জন্যই তার চাচা এবং জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এরিকের দায়িত্ব নিতে চাইছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

গতকাল বারিধারায় এরশাদের প্রেসিডেন্ট পার্কে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে এরিক এরশাদও কথা বলেন।

বিদিশা বলেন, আমি এরিককে চাই সেটা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু না। তারা এরিককে চায়। এরিখ মানেই হচ্ছে এরিকের ট্রাষ্ট। তারা এখন আছে ট্রাস্ট নিয়ে, প্রেসিডেন্ট পার্ক নিয়ে, এরিকের ঠিকানা নিয়ে। আমি ঠিকানার জন্য আসিনি। গুলশানে আমার দুটো বাড়ি। লন্ডন, আমেরিকায় আমার বাড়ি আছে। আর তো কোন প্রয়োজন নেই। আর আমার জীবনই তো শেষ। আমার বাচ্চাটাকে কে দেখবে? আমি ঠিকানা বদল করার জন্য এখানে আসিনি। গতকাল দেখলাম জাতীয় পার্টির অনেকে আমি কেন এরিকের বাসায় এ বিষয়ে ইনকোয়ারি করার দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবি, আমি সশস্ত্র অবস্থায় এখানে এসেছি। কিন্তু আমি এখানে আমার বাচ্চার জন্য এসেছি। আমি আসার পর বাচ্চাটাকে জঘন্য অবস্থায় পেয়েছি।

তিনি বলেন, যতদিন ওর বাবা বেঁচে ছিলেন তখন আমার চিন্তা করতে হয়নি। কিন্তু তিনি মারা যাওয়ার পর অন্যরা আমার সঙ্গে তাকে যোগাযোগ করতে দেয়নি। ওর চাচা স্পেশালি। জিএম কাদের সাহেব মানা করে দিয়েছেন এরিক যেন আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারে।

এক পর্যায়ে কাঁদতে কাঁদতে বিদিশা বলেন, আমি আমার সন্তানকে চাই। আমি মা হিসেবে শুধুমাত্র আমার সন্তানকে চাই। আমি ১৪ বছর সন্তানের জন্য প্রার্থনা করেছি, কেঁদেছি। যতদিন ওর বাবা বেঁচে ছিলেন আমার চিন্তা করতে হয়নি। তিনি ওকে চোখের আড়াল হতে দেননি। তিনি মারা যাবার পর ওর চাচা আমার সঙ্গে এরিককে যোগাযোগ করতে দেননি।

এরিক এরশাদ বলেন, আমার চাচার একটু লোভ আছে আমাদের সম্পত্তির প্রতি। তারা অভিযোগ করেছেন মা এখানে সশস্ত্র অবস্থায় এসেছেন। কিন্তু এটা কোনভাবেই সম্ভব নয়।

বেশ কয়েকদিন আগে বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কে এরিক এরশাদের বাসায় আসেন বিদিশা এরশাদ। ছেলে এরিকের সঙ্গে কর্মচারীদের দুর্ব্যবহারের খবর পেয়ে গত ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্ট পার্কে যান তিনি। এরপর থেকে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন। গত সোমবার (১৮ নভেম্বর) এরিক নিজে গুলশান থানায় উপস্থিত হয়ে এ বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।