• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ১৪ কার্তিক ১৪২৭, ১২ রবিউল ‍আউয়াল ১৪৪২

ভিকারুননিসা নির্বাচন

আগের কমিটির সব প্রার্থিতা বাতিল নিয়ে অসন্তোষ

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , সোমবার, ০৭ অক্টোবর ২০১৯

ঢাকার ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নির্বাচনে আগের গভর্নিং বডির সব সদস্যের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। ভর্তি বাণিজ্য ও অনিয়ম সংক্রান্ত বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশের আলোকে প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে বলে প্রার্থীদের জানিয়েছেন নির্বাচনের প্রিসাইডিং অফিসার ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ফারজানা জামান।

ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ অধ্যাপক ফৌজিয়া সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী সুষ্ঠুভাবে মনোনয়ন বাছাই কাজ শেষ হয়েছে। সেখানে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অনেকের মনোনয়ন বাতিল করেছেন প্রিসাইডিং অফিসার। পূর্ব ঘোষিত সময় অনুযায়ী নির্বাচনের পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালিত হবে।’

জানা গেছে, আগের গভর্নিং বডিতে থাকা সাত জন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। তারা আগামী ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য গভর্নিং বডির নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। গত ১ থেকে ৩ অক্টোবর নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হয়। গতকাল ছিল মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষ দিন।

যাদের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে তারা হলেন- অ্যাডভোকেট ইউনুস আলী আকন্দ, ডা. মজিবুর রহমান হাওলাদার, ড. তাজুল ইসলাম, তিন্না খুরশিদ জাহান মালা, ড. ফারহানা খানম, আগের কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি মুসতারি সুলতানা ও মাহবুব হক মিঠু।

তবে এমন সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে বাতিল হওয়া সদস্যরা বলেছেন, এর কোন আইনগত ভিত্তি নেই। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দু-একদিনের মধ্যে আদালতে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। কোন আইনজ্ঞের ভিত্তি ছাড়া ‘গণহারে’ প্রার্থীরা বাতিল করা হলে নির্বাচন অনিশ্চয়তার মধ্যে পরতে পারে বলে মনে করছেন অভিভাবকরা।

বাতিলের বিষয়ে জানতে চাইলে গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি গোলাম আশরাফ তালুকদার সংবাদকে বলেছেন, ‘ভিকারুননিসা দেশের স্বনামধন্য একটি প্রতিষ্ঠান। এখানে অভিভাবকদের পক্ষ থেকে সবার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে। সাবেক প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল করা বেআইনি এবং সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।’

তিনি আরও বলেন, ‘কারো বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু মনোনয়ন বাতিল করাটা কোন যৌক্তিক কারণ হতে পারে না।’ এ বাতিলের সুনির্দিষ্ট কারণ সবার সম্মুখে তুলে ধরার আহ্বান জানাই।

এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোন আদেশের আলোকে আগের সব সদস্যের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে তা জানতে প্রিসাইডিং অফিসার ফারজানা জামানের সঙ্গে সেলফোনে যোগাযোগ করা চেষ্টা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।