• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০, ২৯ আষাঢ় ১৪২৭, ২১ জিলকদ ১৪৪১

সেমিনারে বক্তারা

অসংক্রামক রোগে মৃত্যুর হার বেড়েছে

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০১৯

দেশে অসংক্রামক রোগে মৃত্যুর হার বেড়েছে। তামাক, অ্যালকোহল, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, বায়ুদূষণ এবং কায়িক শ্রমের অভাবে দিন দিন বাড়ছে অসংক্রামক রোগে আক্রান্তের ঝুঁকি। গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

সেমিনারে বলা হয়, অসংক্রামক রোগের বার্ষিক খরচ প্রায় চার হাজার কোটি টাকা। প্রতিনিয়তই এই ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। অসংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞরা সচেতনতার ওপর জোর দেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের এনসিডিসি প্রোগ্রাম এবং দৈনিক ভোরের কাগজ ‘এনসিডি চ্যালেঞ্জ, হেলথ ইন অল পলিসি হোল সোসাইটি অ্যাপ্রোচ’ শীর্ষক এ সেমিনারের আয়োজন করে।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এএইচএম এনায়েত হোসেন। ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্তের সঞ্চালনায় সেমিনারে বক্তব্য রাখেন মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. ফয়েজ, এনসিডিসি প্রোগ্রামের লাইন ডিরেক্টর ডা. নুর মোহাম্মদ, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আফজালুর রহমান, জাতীয় কিডনি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নুরুল হুদা লেলিন, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ, আইসিডিডিআরবি’র সিনিয়র সাইন্টিস্ট ডা. শামস এল আরেফিন প্রমুখ।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সচেতনতা তৈরি করা ছাড়া অসংক্রামক ব্যাধি প্রতিরোধের উপায় নেই। পারিবারিক পর্যায় থেকে অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সচেতনতার শিক্ষা শুরু করতে হবে।

মূল প্রবন্ধে মো. আসাদুল ইসলাম বলেন, অসংক্রামক রোগের সঙ্গে বায়ু, পানি, মাটি, খাদ্যসহ সবকিছু জড়িত। অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ করতে হলে সব সেক্টরের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। শুধুমাত্র স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একার পক্ষে এই রোগ দূর করা সম্ভব নয়। সবার আগে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এসব রোগ প্রতিরোধে মানসিকভাবে নিজেকে তৈরি করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীক ব্যয়াম এবং কায়িক শ্রম বাড়াতে হবে। প্রয়োজনে এ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে।

অন্য বক্তারা বলেন, দেশে হৃদরোগের মৃত্যুর হার মোট মৃত্যুর ১৭ ভাগ। প্রতিবছর এ হার বেড়েই চলছে। ২০১৭ সালে হৃদরোগ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করে ৭০ হাজার মানুষ, ২০১৮ সালে এই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮০ হাজার। অসংক্রামক রোগের মধ্যে মানসিক রোগ অন্যতম। দেশে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ১৬ ভাগ মানুষ কোন না কোনভাবে মানসিক রোগে আক্রান্ত। এছাড়া শিশু-কিশোরদের মধ্যে মানসিক রোগের প্রবণতা ১৮ ভাগ।