• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১ মহররম ১৪৪২, ০৩ আশ্বিন ১৪২৭

অনার্স ও মাস্টার্স শিক্ষকদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তহবিল থেকে বেতন দেয়ার দাবি

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , সোমবার, ০৪ মে ২০২০

এমপিওভুক্তির আগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত বেসরকারি কলেজে অনার্স-মাস্টার্স কোর্সের শিক্ষকদের বিশ^বিদ্যালয়ের তহবিল থেকেই বেতন ভাতা দাবি করেছেন ‘বাংলাদেশ বেসরকারি কলেজ অনার্স মাস্টার্স শিক্ষক ফোরাম’। গতকাল সংগঠনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি করা হয়।

অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষক ফোরামের সভাপতি নেকবর হোসাইন সংবাদকে বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতিতে জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী ৯২ হাজার কোটি টাকার বিশাল প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন। কিন্তু বেসরকারি অনার্স-মাস্টার্স পাঠদানকারী কলেজের শিক্ষকরা ২৮ বছর ধরে বেতনভাতা বা এমপিও পাচ্ছেন না। মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অথচ জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের তহবিলে হাজার হাজার কোটি টাকা অলস পড়ে আছে।’

সংগঠনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রায় ৩৫০টি এমপিওভুক্ত ডিগ্রি কলেজে নন-এমপিও অনার্স ও মাস্টার্স কোর্সের মাত্র ৫ হাজার শিক্ষক কর্মচারী রয়েছে। আমাদের বার্ষিক বেতন ভাতা বাবদ খরচ হবে মাত্র ১৪৮ কোটি টাকা। শিক্ষা মন্ত্রণালয় দীর্ঘ ২৮ বছরেও জনবল কাঠামো তৈরি না করায় শুধুমাত্র অনার্স ও মাস্টার্স কোর্সের শিক্ষক কর্মচারী এমপিও সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ফলে এই সব শিক্ষক কর্মচারী সরকার থেকে এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কোন আর্থিক সুবিধা পায় না। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে এই শিক্ষকরা অত্যন্ত মানবেতর জীবন যাপন করছে।

নেকবর হোসাইন জানান, বেসরকারি কলেজ পর্যায়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ অনার্স ও মাস্টার্স কোর্সের জন্য সরকার ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কলেজগুলোতে শিক্ষক নিয়োগ অনুমোদন দিয়ে অনার্স মাস্টার্স কোর্সের পাঠদানের অনুমোতি দেয়। কিন্তু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এই শিক্ষকদের বেতন ভাতার দায়িত্ব গ্রহণ করে না। এমতাবস্থায় কলেজ কর্তৃপক্ষ একান্তই মানবিক দিক বিবেচনা করে শিক্ষক কর্মচারীদের কলেজে যাতায়াত খরচ ও পোশাক পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা বাবদ মাসিক নাম মাত্র কিছু টাকা সম্মানী হিসেবে দিয়ে থাকে। যা দিয়ে মাসের এক সপ্তাহের ন্যূনতম বাজার খরচ চলে না। সেই সম্মানীটাও অনেক কলেজ প্রায় ১০ থেকে ১২ মাস বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে বর্তমানে লকডাউনের কারণে ঘরে বসে শিক্ষকদের অর্ধাহারে অনাহারে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে।’

বেসরকারি কলেজ অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষক ফোরামের দাবি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা অলস পড়ে থেকে লাভ কি? যদি সেই টাকা সরকারের বা জনকল্যাণে কাজে না লাগে। সেখান থেকে এই শিক্ষকদের বেতন ভাতা দেয়া হলে মাসে মাত্র ১১ থেকে ১২ কোটি টাকা খরচ হবে। ছাত্র বেতন কেন্দ্রীয়ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাগারে জমার ব্যবস্থা করা হলে মাসে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকার বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফান্ডে জমা হবে। যা বছরে উদ্বৃত্তের পরিমাণ দাঁড়াবে ১৬৮ থেকে ২১৬ কোটি টাকার বেশি।’