• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, ৩০ আশ্বিন ১৪২৬, ১৫ সফর ১৪৪১

অধিক হারে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

| ঢাকা , শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৯

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ-বিদেশের বাড়তি চাহিদার কথা বিবেচনা করে দেশে অধিক হারে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প-কারখানা স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। বাসস।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার গঠন করার পর থেকেই ব্যাপকভাবে বেসরকারি খাতকে আমরা উন্মুক্ত করে দিয়েছি এবং সারাদেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছি একই সঙ্গে প্রতিটি এলাকায় খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে তোলার নির্দেশ দিয়েছি। তিনি বলেন, আমরা শুধু উৎপাদনই করব না। উৎপাদনের সঙ্গে সঙ্গে সেটি প্রক্রিয়াজাত করে দেশে সৃষ্ট বাজারে তা যেমন সরবরাহ করতে হবে, তেমনি বিদেশে নতুন নতুন বাজারও আমাদের খুঁজে বের করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতাধীন ইনস্টিটিউট এবং স্থাপনার উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন।

গোপালগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও চট্টগ্রামে উদ্বোধনকৃত এসব ইনস্টিটিউট এবং স্থাপনাগুলো হচ্ছে মৎস্য ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট, গোপালগঞ্জ; মৎস্য ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট, কিশোরগঞ্জ; মৎস্য ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট, বেলকুচি সিরাজগঞ্জ; জাতীয় প্রাণিসম্পদ ও পোলট্রি ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট এবং আঞ্চলিক রোগ অনুসন্ধান গবেষণাগার, গোপালগঞ্জ; হ্যাচারিসহ আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার, কোটালিপাড়া, গোপালগঞ্জ; সরকারি ভেটেরেনারি কলেজ, কেলকুচি, সিরাজগঞ্জ ও মাল্টিচ্যানেল সিøপওয়ে ডকইয়ার্ড, মৎস্য বন্দর, চট্টগ্রাম।

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ করা গেলে আমাদের গৃহিণীদের কোটা-বাছার ঝামেলা অনেকাংশে কমে গিয়ে রান্নার সময় সাশ্রয় হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে বলেন, এটা আবার বিদেশেও রপ্তানি করা যাবে। কেননা বিদেশে এর চাহিদা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। এটা কোনদিনও কমবে না। প্রায় ৯০ লাখের ওপর আমাদের প্রবাসী বাংলাদেশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যে দেশেই থাকুন আর সে দেশের খাবার যত ভালোই হোক না কেন, তারা খুঁজে ফেরেন দেশের মাছ-তরকারিটা বা ফলটা কোথায় পাওয়া যায়। অনেকে আবার এগুলোর ব্যবসাও করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা যত বেশি আমাদের ফসল উৎপাদন ও উৎপাদিত ফসল প্রক্রিয়াজাত করতে পারব, তত দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশের রপ্তানি করতে পারব। তিনি এ সময় বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানকে উৎপাদনমুখী করে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।