• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, ২ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬, ১৯ রবিউল আওয়াল ১৪৪১

ভৈরব খননে গাফিলতি

১৬ মাসে কাজ হয়েছে মাত্র ১৭ শতাংশ

সংবাদ :
  • রুকুনউদ্দৌলাহ, যশোর

| ঢাকা , বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০১৯

ভৈরব নদ খনন কাজ সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের অব্যবস্থাপনা ও উদাসীনতায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ হবার ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কাজের গতি বাড়ানোর জন্য একাধিকবার তাগিদ দেয়া হলেও ওই ঠিকাদার গুরুত্ব দেননি। এতে চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি যেখানে ৮৫ শতাংশ হবার কথা; সেখানে হয়েছে মাত্র ১৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড যশোর অফিস সূত্রে জানা গেছে, নদের ৫০ কিলোমিটার থেকে ৫৪ কিলোমিটার (কনেজপুর-সারথি মিল) ৪ কিলোমিটার, ৫৮ কিলোমিটার থেকে ৬১ কিলোমিটার (কাঠেরপুল-ঝুমঝুমপুর) ৩ কিলোমিটার এবং ৬১ কিলোমিটার থেকে ৬৪ কিলোমিটার (ঝুমঝুমপুর-রাজারহাট) ৩ কিলোমিটার; এই ১০ কিলোমিটার খননের কার্যাদেশ পায় ডলি কনস্ট্রাকশন। ২০১৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর কাজ শুরু হয়ে চলতি বছরের ১৮ জুন কাজ শেষ করার শর্ত ছিল। নির্ধারিত কাজ শেষ করার পর্যাপ্ত অনুকূল সময় থাকা সত্ত্বেও ওই কাজ শেষ করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার এ পর্যন্ত কোন খনন যন্ত্র কর্মস্থলে আনেননি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত যে কাজটুকু ডলি কনস্ট্রাকশন করেছে তার জন্য স্কেভেটরসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি ৭টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান থেকে ভাড়া করে এনেছে। কিন্তু তাদের ভাড়ার টাকা পরিশোধ না করায় তারা আর যন্ত্রপাতি ব্যবহার করছে না। শ্রমিকরা নদের পাড়ে মেশিন ফেলে চলে গেছে। এতে আপাতত খনন কাজ বন্ধ রয়েছে। এ বিষয়ে ডলি কনস্ট্রাকশনের পিডি ও এমডিকে একাধিকবার ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি। এ কারণে তাদের বক্তব্য জানা যায়নি।

যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামী বলেন, কাজ শেষ করার আর মাত্র দুই মাসেরও কম সময় হাতে রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হলে নদের পানি প্রবাহ বিঘ্নিত হওয়া ছাড়াও নদ খননের উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে। প্রবীর গোস্বামী জানান, কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক না হওয়ায় ডলি কনস্ট্রাকশনকে ইতোমধ্যে কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়ে ২২ এপ্রিলের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।