• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, ৩০ আশ্বিন ১৪২৬, ১৫ সফর ১৪৪১

কিশোরগঞ্জে

স্কুলছাত্র খুন লাশ নিয়ে বিক্ষোভ

সংবাদ :
  • জেলা বার্তা পরিবেশক, কিশোরগঞ্জ

| ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০১৯

কিশোরগঞ্জে সাগর (১১) নামে পঞ্চম শ্রেণীর এক ছাত্রকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। লাশ নিয়ে এলাকাবাসী শহরে বিক্ষোভ করেছেন। শহরের হারুয়া সওদাগরপাড়া এলাকার ব্যবসায়ী বকুল মিয়ার ছেলে সাগরকে গত মঙ্গলবার রাতে পাট গবেষণা কেন্দ্রের পাশে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করা হয়। মুমূর্ষু অবস্থায় সাগরকে পাশের জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখান থেকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে রাত ১১টার দিকে পথেই সাগর মারা যায়। পুলিশ জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করেছে।

নিহতের চাচা আবদুল করিম জানিয়েছেন, পহেলা বৈশাখ থেকে শহরতলির কাতিয়ারচর এলাকায় হারুয়া বৌবাজার এলাকার আবু হানিফ হাছু মেলার আয়োজন করেন। সেখানে হারুয়া এলাকার লাদেন নামে এক তরুণের সঙ্গে হাছু ও তার লোকজনের ঝগড়া হয়। লাদেন এবং সাগরের চেহারায় মিল ছিল। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বৈশাখি মেলা থেকে দুই বন্ধুকে নিয়ে সাগর বাসায় ফেরার পথে পাট গষেণা ইনস্টিটিউটের গেটের কাছে হাছুর ছেলে সাফি, তার সঙ্গী দুদুল, বাবু, শহীদ ও জিমেল ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় সাগরের বন্ধুরা পালিয়ে গেলেও সাগরকে পেটসহ শরীরে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। আবদুল করিম বলেন, মৃত্যুর আগে সাগর বলে গিয়েছে, হামলার সময় দুর্বৃত্তরা হাছুর নির্দেশে সাগরকে খুন করতে এসেছে বলে বারবার চিৎকার করে বলেছে। গতকাল দুপুরে সাগরের লাশ নিয়ে এলাকাবাসী বিক্ষোভ করেছেন। এ সময় বিক্ষোভকারীদের হাছু, দুদুল, সাফি, বাবু, শহীদ ও জিমেল নামে ৬ জনের ছবি সংবলিত ব্যানার বহন করতে দেখা গেছে। হাছুর বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

সদর থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক জানিয়েছেন, কাতিয়ারচর এলাকায় প্রশাসন বা পুলিশের কোন অনুমতি ছাড়াই মেলার আয়োজন করা হয়। সেখানে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করাকে কেন্দ্র করে হারুয়া এলাকার মৃত ফজলু মিয়ার ছেলে লাদেনকে আয়োজকরা লাঞ্ছিত করে। এর জের ধরে গত সোমবার লাদেনের লোকজন প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালায়। এর প্রতিশোধ হিসেবেই সাগরকে খুন হতে হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চারজনকে পুলিশ আটক করেছে। তবে অন্য অপরাধীদের আটকের স্বার্থে চারজনের নাম বলতে ওসি অস্বীকৃতি জানান। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য আবু হানিফ হাছুর মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার ফোন করলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।