• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৮ রবিউস সানি ১৪৪২

কক্সবাজার

প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া : ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, কক্সবাজার

| ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

কক্সবাজার শহরে প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া দিয়ে ২ পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আর দিনে দুপুরে এই অস্ত্রের মহড়া দেখে হতবাক শহরবাসী। মঙ্গলবার বিকেলে কক্সবাজার শহরের উত্তর নুনিয়ারছড়া এলাকায় ছাত্রলীগ ও আ’লীগ দুই পক্ষ প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া দিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

এ ঘটনায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ থামাতে শেষ পর্যন্ত জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমানসহ দলীয় নেতারাসহ পুলিশ হস্তক্ষেপ করেন। নিকট অতীতে কক্সবাজার শহরে দিন-দুপুরে এভাবে অস্ত্রের মহড়া দিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ার ঘটনা দেখা যায়নি।

জমির বিরোধ নিয়ে ২ পক্ষের মধ্যে বিরোধের ঘটনায় প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া দেয়ায় গতকাল সকালে ছাত্রলীগের এক নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তার নাম রিদুয়ান আলী সাজিন। তিনি কক্সবাজার পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি।

কক্সবাজার শহর ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাসান ইকবাল রিপন ও সাধারণ সম্পাদক শাকিল আজমের যৌথ স্বাক্ষরে রিদুয়ান আলী সাজিনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা জানিয়েছেন, কক্সবাজার শহর শাখার আওতাধীন ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি রিদুয়ান আলী সাজিনকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও গঠনতন্ত্র বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে সংগঠন থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হলো।

কক্সবাজার পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর নুনিয়ারছড়া শিল্প এলাকার ঠোঁটিয়া পাড়ায় জমি নিয়ে বিরোধে দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নেয়। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় ওই এলাকা। ওই ঘটনায় ৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে গিয়ে এক পক্ষে অবস্থান নেন রিদুয়ান আলী সাজিন। তিনি প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর গুলি বর্ষণ করেন। সাজিন ছাড়াও বেশ কয়েকজনকে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করতে দেখা গেছে। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়। অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি বর্ষণের ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এর পরই সাজিনকে বহিষ্কার করা হয়।

তবে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে যারা অস্ত্রের মহড়া দিয়েছে তাদের ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এখনো কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।

কক্সবাজার সদর থানার ওসি মাসুম খান জানান, যারা প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। এ ব্যাপারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।