• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, ৩০ আশ্বিন ১৪২৬, ১৫ সফর ১৪৪১

তুরাগ-শীতলক্ষ্যার তীরে

দেড় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯

দূষণ ও দখল রোধে নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করছে অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। গতকাল তুরাগ ও শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে দেড় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে সংস্থাটি। এরমধ্যে ঢাকা নদীবন্দর কর্তৃপক্ষ তুরাগ ও গাজীপুরের টঙ্গী থানার কামারপাড়া সøুইচ গেট থেকে টঙ্গী ব্রিজ পর্যন্ত তুরাগ নদের উভয় তীরে দুটি পাঁচতলা, চারটি চারতলা, ছয়টি তিনতলা, আটটি দোতলা, ছয়টি একতলা ভবন, ১২টি আধাপাকা ভবন, ১২টি টিনশেড, দুটি বাউন্ডারি ওয়াল, ৬১টি টিনের ঘরসহ মোট ১১৩টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এছাড়া তিনটি বালুর গদি অপসারণ এবং দু’একর তীরভূমি অবমুক্ত করেছে। এছাড়া ১৪ লাখ ২৮ হাজার টাকার পণ্য নিলাম করেছে। তুরাগ তীরে অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে সংস্থাটি জানায়।

এদিকে রূপগঞ্জে শীতলক্ষ্যার পশ্চিম তীরে অভিযান চালিয়ে ৩০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর কর্তৃপক্ষ। গতকাল সকাল থেকে বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপ্তিময়ী জামানের নেতৃত্বে শীতলক্ষ্যার পশ্চিম তীরে চনপাড়া এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের যুগ্ম-পরিচালক মো. গুলজার আলী ও উপ-পরিচালক মো. শহীদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের যুগ্ম-পরিচালক মো. গুলজার আলী সাংবাদিকদের বলেন, ১০ দিনের উচ্ছেদ অভিযান কর্মসূচির প্রথম ধাপে তিনদিনের অভিযানে সুলতানা কামাল সেতুর পূর্বপাড় থেকে পশ্চিমপাড়ে চনপাড়া এলাকা পর্যন্ত দেড় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছিল। দ্বিতীয় ধাপে পুনরায় চনপাড়া থেকে অভিযান শুরু হয়েছে। শীতলক্ষ্যা নদীর ৫০১১টি সীমানা পিলার পুনঃস্থাপনে ইতোমধ্যে একটি প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। নতুন সীমানা পিলার ৪০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট হবে। এছাড়া সরকার ঢাকার চারপাশের ২১০ কিলোমিটার নদীপথ রক্ষায় ওয়াকওয়ে বনায়ন করছে। ইতোমধ্যে নারায়ণগঞ্জে ২৫ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মিত হয়েছে। আরও ১৭ কিলোমিটার ওয়াকওয়ের নির্মাণকাজ শীঘ্রই শুরু হবে।