• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২০, ১৪ জিলহজ ১৪৪১, ২১ শ্রাবণ ১৪২৭

এবার চ্যালেঞ্জ নদী

দখল ও দূষণমুক্ত নৌপথ বানাব

নৌপ্রতিমন্ত্রী

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০১৯

২০০৮ সালে সরকারের চ্যালেঞ্জ ছিল বিদ্যুতের উন্নয়ন, সেটাতে আমরা সফল হয়েছি। এবারের চ্যালেঞ্জ হলো নদী। নদী তীর দখল ও দূষণমুক্ত করে ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ তৈরি করা হবে। দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটানোর উদ্দেশ্যে এই নৌপথ সচল করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নৌপ্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। গতকাল রাজধানীতে হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘রিভারস অ্যান্ড ওয়াটার ট্যুরিজম ইন বাংলাদেশ : অপরচুনিটিজি অ্যান্ড চ্যালেঞ্জেস’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং ভ্রমণ বিষয়ক ম্যাগাজিন ‘ভ্রমণ’ যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম ও হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া। নৌপরিবহন সচিব মো. আবদুস সামাদের সভাপতিত্বে সেমিনারে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান প্রণয় কান্তি বিশ্বাস, বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর এম মাহবুব উল ইসলাম, ভ্রমণ ম্যাগাজিনের উপদেষ্টা নওয়াজিশ আলী খান, হোটেল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলমগীর এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান আখতারুজ জামান খান কবির।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, পর্যটনের সঙ্গে অর্থনীতির সম্পর্ক রয়েছে। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে এক সময় বাংলাদেশের মানুষ পর্যটর নিয়ে ভাবতো না। এখন বাংলাদেশের মানুষ আর সে জায়গায় নেই। বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন বেশ শক্তিশালী। পর্যটন নিয়ে এখন তাদের ভাবার বিষয় আছে। পর্যটনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে কতটুকু তুলে ধরতে পেরেছি-সেটি আমাদের ভাবনার বিষয়। বিদেশের সম্পর্কে জানি বলে বিদেশ ভ্রমণে আমাদের আগ্রহ বেশি। আমরা অনেকেই জাতির পিতা জনক বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর ভবন দেখেছি, আবার অনেকেই দেখতে যেতে পারিনি। কিন্তু বিদেশিরা ঠিকই বঙ্গবন্ধুর ভবনে যান, তারা বঙ্গবন্ধুর কর্মকান্ড দেখেন। তারা জানতে পারেন, বঙ্গবন্ধু কিভাবে দেশের স্বাধীনতার নেতৃত্ব দিয়েছেন।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে হবে। বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ। নদীপথের সৌন্দর্য আমরা বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে পারিনি। এখন চেষ্টা করছি। বাংলাদেশে এখন ক্ষরা, দুর্ভিক্ষ ও দরিদ্রতা নেই। প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন অনেক বেশি শক্তিশালি। নিজেদের অর্থে আমরা পদ্মা সেতু নির্মাণ করছি। নদীগুলোকে নিয়ে বাংলাদেশের মানুষ ভাবছে, নদীগুলোকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে- এট আমাদের বড় অর্জন। পর্যটনের বিষয়টি মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে। এসব ক্ষেত্রে সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ ওভারকাম করতে পারব। তিনি পর্যটন খাতের বিকাশে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।