• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শনিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০১৯, ৬ মাঘ ১৪২৫, ১২ জমাউল আওয়াল ১৪৪০

স্মরণসভায় বক্তারা

আমজাদ হোসেন গুণী পরিচালকই নন, জনপ্রিয় অনেক গানেরও স্রষ্টা

সংবাদ :
  • সাংস্কৃতিক বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , শনিবার, ১২ জানুয়ারী ২০১৯

প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেন কেবল একজন গুণী পরিচালকই ছিলেন না, জনপ্রিয় অনেক গানেরও স্রষ্টা তিনি। বরেণ্য এই পরিচালককে গতকাল সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবে গানে ও কথায় স্মরণ করা হয়। ময়মনসিংহ কালচারাল ফোরাম ও জামালপুর সামাজিক সাংস্কৃতিক ফোরাম যৌথভাবে এ স্মরণসভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। স্মরণসভায় আলোচক হিসেবে ছিলেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান ইমাম, নাট্যজন মামুনুর রশীদসহ অনেকে।

আমজাদ হোসেনের লেখা গানের মধ্যে ‘জন্ম থেকে জ্বলছি মাগো’, ‘আমি আছি থাকব ভালোবেসে মরব’, ‘হায়রে কপাল মন্দ চোখ থাকিতে অন্ধ’, ‘কেউ কোনো দিন আমারে তো কথা দিল না’, ‘চুল ধইরো না খোঁপা খুলে যাবে গো’, ‘একবার যদি কেউ ভালোবাসত’, ‘বাবা বলে গেল আর কোনো দিন গান করো না’, ‘এমন তো প্রেম হয়’ উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য, ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৪ ডিসেম্বর আমজাদ হোসেন মারা যান। আমজাদ হোসেন ১৯৬১ সালে ‘হারানো দিন’ চলচ্চিত্রে অভিনয় দিয়ে চলচ্চিত্র অঙ্গনে আসেন। পরে চিত্রনাট্য রচনা ও নির্মাণে মনোনিবেশ করেন। ১৯৬৭ সালে আমজাদ হোসেন ‘আগুন নিয়ে খেলা’ নামে প্রথম চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। পরে তিনি ‘নয়নমণি’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘ভাত দে’র মতো চলচ্চিত্র নির্মাণ করে প্রশংসিত হন। ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ ও ‘ভাত দে’ চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। এছাড়া শিল্পকলায় অবদানের জন্য তিনি একুশে পদক ও স্বাধীনতা পুরস্কারও পেয়েছেন। আমজাদ হোসেন চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির আজীবন সদস্য। সাহিত্য রচনার জন্য এই নির্মাতা ১৯৯৩ ও ১৯৯৪ সালে দুইবার অগ্রণী শিশুসাহিত্য পুরস্কার এবং ২০০৪ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পেয়েছেন। ১৯৪২ সালের ১৪ আগস্ট জামালপুরে জন্মগ্রহণ করেন আমজাদ হোসেন। পঞ্চাশের দশকে ঢাকায় এসে সাহিত্য ও নাট্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত হন। তারপরই চলচ্চিত্রে আসেন।