• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯, ১১ বৈশাখ ১৪২৫, ১৭ শাবান ১৪৪০

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ১৫০০ শিক্ষার্থীর মাঝে ডিসিএল ল্যাপটপ বিতরণ

| ঢাকা , রোববার, ১৪ এপ্রিল ২০১৯

image

‘একজন ছাত্র একটি ল্যাপটপ’ প্রকল্পের নিয়মিত কর্মসূচীর অংশ হিসাবে ১৯তম পর্বে ১ এপ্রিল ২০১৯ (সোমবার) বিশ^বিদ্যালয়ের ৭১ মিলনায়তনে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে ১৫০০টি ডিসিএল সি ৪৮৩ মডেলের ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে ল্যাপটপ বিতরণ করেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আকতার হোসেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান ড. তৌহিদ ভূঁইয়া। ল্যাপটপ প্রদানের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ হামিদুল হক খান একাডেমিক ও শিক্ষা কার্যক্রমে ল্যাপটপের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার প্রত্যয়ে শিক্ষার্থীদের শপথবাক্য পাঠ করান। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিশ^বিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড.এসএম মাহাবুবুল হক মজুমদার, রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. একেএম ফজলুল হক, স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক সৈয়দ মিজানুর রহমান প্রমুখ। ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স লিমিটেডের সহায়তায় ড্যাফোডিল বিশ^বিদ্যালয় ২০১০ সালের সামার সেমিস্টার থেকে এ পর্যন্ত ২৫০০০ ল্যাপটপ বিতরণ করেছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আকতার হোসেন বলেন, ল্যাপটপ শুধু একটি যন্ত্র নয়, এটি একটি ক্ষমতা। আজ থেকে তোমরা একটি বিশেষ ক্ষমতা হাতে পেলে। তবে ক্ষমতার অপব্যবহার কখনই সুফল বয়ে আনে না। তাই এই ক্ষমতার সদ্ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদেরকে ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের উপযোগী হিসেবে গড়ে তুলবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এ সময় অধ্যাপক ড. আকতার হোসেন নিজের ব্যবহৃত ২৫ বছর আগের একটি ল্যাপটপ দেখিয়ে বলেন, ১৯৯৬ সাল থেকে এই ল্যাপটপ আমার সঙ্গে আছে। আমার কর্মজীবনের যা কিছু অর্জন তার পেছনে এই ল্যাপটপের বিরাট অবদান রয়েছে। আজ শিক্ষার্থীদের হাতে যে ল্যাপটপ তুলে দেওয়া হলো সেটিও তাদের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড. তৌহিদ ভূঁইয়া বলেন, প্রযুক্তির যেমন ভালো ব্যবহার রয়েছে, তেমনি খারাপ ব্যবহারও রয়েছে। ইদানীং ফেসবুকে যেকোনো বিষয় নিয়ে সমালোচনা করা যেন ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। এই চর্চা থেকে বেরিয়ে এসে শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক হওয়ার আহ্বান জানান ড. তৌহিদ ভূঁইয়া। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।