• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২০, ১৮ি জিলহজ ১৪৪১, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৭

ইডটকো বাংলাদেশের নতুন কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (সিএমডি) রিকি স্টেইন

| ঢাকা , সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০

image

ইডটকো বাংলাদেশের নতুন কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (সিএমডি) দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিক রিকি স্টেইন। সম্প্রতি এই ঘোষণা দেয় সমন্বিত টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ইডটকো। নতুন এই নেতৃত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশে নিজেদের অবস্থানকে আরো শক্তিশালী করতে চায় কোম্পানিটি। এজন্য নতুন নতুন উদ্ভাবন দিয়ে পরবর্তী প্রজন্মের টেলিযোগাযোগ সমাধান বিধানের মাধ্যমে গ্রাহকদেরকে সর্বোত্তম সেবা প্রদানে পুরোপুরি প্রস্তুত ইডটকো।

প্রায় ২৪ বছর ধরে টেলিযোগাযোগ ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করে আসছেন রিকি স্টেইন। সুদীর্ঘ এই ক্যারিয়ারে ভিন্ন ভিন্ন তিনটি মহাদেশে কাজ করেছেন তিনি। বাংলাদেশে যোগদানের আগে প্রায় চার বছর তিনি ‘ইডটকো মিয়ানমারে’র প্রকৌশল শাখার পরিচালক (ডিরেক্টর অব ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বে ‘ইডটকো মিয়ানমারে’র প্রকৌশল দল অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে দেশটির বড় বড় মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের গুরুত্বপূর্ণ অনেক প্রকল্পের কাজ সুসম্পন্ন করেছে। এছাড়া নবায়নযোগ্য এনার্জি সল্যুশনের ক্ষেত্রেও নতুন নতুন অনেক উদ্ভাবনী প্রযুক্তি চালুতেও তার ভূমিকা অসামান্য। রিকি স্টেইন বলেন, ‘বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তর যাত্রা খুবই দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে। এটা নিশ্চিত যে, যথার্থ শেয়ারেবল অবকাঠামো নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আমরা মূখ্য ভূমিকা পালন করতে পারি, যেখানে অসংখ্য ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে দেশটির অগ্রগতির এই ধারাকে আরো ত্বরান্বিত করা সম্ভব। বাংলাদেশের মতো ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির দেশে নির্ভরযোগ্য এবং দ্রুতগতির নেটওয়ার্ক সেবার নিশ্চয়তা প্রদানের প্রধান শর্ত হলো যথাযথ অবকাঠামো। আর আমাদের মতো স্বাধীন অবকাঠামো কোম্পানিই এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে, যারা যথার্থ অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি সঠিক ব্যবস্থাপনাতেও দক্ষ। ৫জি কিংবা স্মার্ট সিটি সল্যুশনের মতো পরবর্তী প্রজন্মের প্রযুক্তি গ্রহণ করাতে আমরা অবিরাম কাজ করতে থাকবো। কেননা, ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণের অংশীদার হতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

ইডটকো গ্রুপের বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের প্রধান আঞ্চলিক কর্মকর্তা ভিজেন্দ্র ওয়াটসন বলেন, ‘এই মুহূর্তে ইডটকো বাংলাদেশ ক্রমবর্ধমান প্রবৃদ্ধির অভিজ্ঞতা অর্জন করছে। রিকির মূল্যবান অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা এদেশে আমাদের ব্যবসাকে আরো ভালো অবস্থানে নিয়ে যাবে। সঠিক পরিচালনার মাধ্যমে ব্যবসাকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা ইতোমধ্যেই বিশ্লেষণ এবং ডিজিটালাইজেশনের ব্যবহার শুরু করেছি। মিয়ানমারের বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করে রিকি যে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছে, আমাদের এই অগ্রসরমান পরিবেশে সেটা দারুণ কাজে দিবে। তাকে পেয়ে আমরা ভীষণ আনন্দিত।’ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।