• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০ মহররম ১৪৪২, ১১ আশ্বিন ১৪২৭

দিল্লিতে ২ সন্তানকে হত্যা

‘হতাশ’ ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

    সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক
  • | ঢাকা , বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২০

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে এক ব্যক্তি নিজের দুই নাবালক সন্তানকে হত্যার পর চলন্ত ট্রেনের সামনে ঝাঁপিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন। গত রোববার দিল্লির শালিমার বাগে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। মধুর মালানি নামের ৪৪ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি হতাশায় ভুগছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। এনডিটিভি।

সংবাদ মাধ্যমটি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়ে বলেছে, ওই ব্যক্তি হতাশায় ভুগছিলেন। বেকার অবস্থায় নিজের ব্যবসা পুনরায় শুরু করার চেষ্টা করছিলেন তিনি। প্রাথমিক তদন্ত থেকে এমন ধারণা পেয়েছে দিল্লি পুলিশ। আত্মহত্যাকারীর শিরিষ কাগজের কারখানা ছিল। ছয় মাস আগে কারখানাটি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে তার বাবা-মা তার পরিবারকে চালিয়ে নিচ্ছিলেন। গত রোববার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫৪ মিনিটে একটি জরুরি ফোন পেয়ে উত্তরপশ্চিম দিল্লির শালিমার বাগ যায় পুলিশ। সেখানে ঘটনাস্থলের ভবনটিতে প্রবেশ করে দুটি শিশুর মৃতদেহ ছাড়া পুরো বাড়ি খালি দেখতে পায় তারা। নিহত শিশুদের মা (রূপালি বলে শনাক্ত) ঘটনার সময় বাজারে ছিলেন। পুলিশকে তিনি জানান, বাজার থেকে ফিরে সন্তানদের মৃত অবস্থায় পান তিনি। এবং স্বামীকে খুঁজে পাননি।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী জানা যায়, মালানি বিকালে তার দুই সন্তানকে হত্যা করে পরে নিজেও আত্মহত্যা করেন। শিশু দুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে দিল্লি পুলিশের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন। ঘটনার বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করে পরবর্তী তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দিল্লি (উত্তরপশ্চিম) পুলিশের ডেপুটি কমিশনার বিজয়ান্ত আরিয়া।

শিশু দুটিকে ১৪ বছর বয়সী সমিক্ষা ও ছয় বছর বয়সী শ্রেয়ান্স বলে শনাক্ত করা হয়। মৃতদেহ দুটি তাদের নিজ নিজ বিছানায় পড়ে ছিল। তাদের শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা।

বাড়িটিতে তল্লাশি চালানোর পর শিশুদের পিতা, ৪৪ বছর বয়সী মধুর মালানি নিখোঁজ বলে দেখতে পায় পুলিশ। এরপর মালানিকে খোঁজা শুরু করেন তারা। অনেকক্ষণ পর্যন্ত খুঁজে না পেয়ে পরে বিকাল ৫টা ৪০ মিনিটে হায়দারপুর মেট্রো স্টেশনে ঘটা একটি আত্মহত্যার প্রতিবেদনের দিকে নজর দিয়ে মালানির মৃতদেহ পান তারা।

মালানির মৃতদেহের সঙ্গে বা তার বাড়িতে কোন সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।