• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ১৫ জুন ২০১৮, ১ আষাঢ় জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২৯ রমজান ১৪৩৯

‘উ. কোরিয়ায় বিলাসদ্রব্য সরবরাহ করেছে সিঙ্গাপুরের দুই প্রতিষ্ঠান’

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , বুধবার, ১৪ মার্চ ২০১৮

image

জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সিঙ্গাপুরের দুটি প্রতিষ্ঠান বিরুদ্ধে অবৈধভাবে উত্তর কোরিয়ায় বিলাসদ্রব্য সরবরাহ করার অভিযোগ তোলা হয়েছে। জাতিসংঘের বারত দিয়ে সংবাদ মাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

উত্তর কোরিয়ায় বিলাসদ্রব্য সরবরাহে জাতিসংঘের পাশাপাশি সিঙ্গাপুর সরকারেরও নিষেধাজ্ঞা আছে। ২০০৬ সাল থেকে উত্তর কোরিয়ায় বিলাসদ্রব্য বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা আছে জাতিসংঘের। এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সিঙ্গাপুরভিত্তিক ওসিএন এবং টি স্পেশালিস্ট ২০১৭ সালের জুলাই পর্যন্ত উত্তর কোরিয়ায় ওয়াইন, স্পিরিটসহ বিভিন্ন বিলাসদ্রব্য সরবরাহ করে গেছে বলে জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে। এ দুটি প্রতিষ্ঠানকে সিস্টার কোম্পানি (একই পরিচালক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত) বলে এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে বিবিসি। এদিকে সিঙ্গাপুরের সরকারও অবৈধভাবে বিলাসদ্রব্য সরবরাহের অভিযোগ বিষয়ে তদন্তের ঘোষণা দিয়েছে। অপরদিকে, নিরাপত্তা পরিষদে পাঠানো এ অভিযোগটি সত্য হলে এশিয়াজুড়ে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের পদ্ধতি প্রশ্নের সম্মুখীন হবে বলে পর্যবেক্ষকরা অভিমত।

পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি ও একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উত্তর কোরিয়া বিভিন্ন রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর তীব্র চাপ ও নিষেধাজ্ঞার মধ্যে আছে। ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার পারদ চড়তেই থাকে। গত বছর উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের সঙ্গে ট্রাম্পের কথার লড়াই আন্তর্জাতিক মহলকেও বেশ উদ্বেগে ফেলেছিল। চলতি বছরের শুরু থেকে পরিস্থিতির অভূতপূর্ব বাঁক বদলের সম্ভাবনা দেখা দেয়। দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত শীতকালীন অলিম্পিকের সূত্র ধরে দুই কোরিয়ার মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা শুরু হয়। অলিম্পিকের উদ্বোধনীতে অংশ নিতে কিমের বোনসহ উত্তরের প্রভাবশালী নেতারা সিউল ও পিয়ংচ্যাং সফর করেন। একই ধারাবাহিকতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও আলোচনার দরজা খুলে যায়। গত সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধিরা মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করে তার হাতে কিম জং উনের আমন্ত্রণ পৌঁছে দেন। ট্রাম্প ওই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে আগামী মে মাসের মধ্যে উনের সঙ্গে দেখা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এক সংবাদ সম্মেলনে দক্ষিণের এক প্রতিনিধি দল এ তথ্য জানিয়েছে। উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনার সুযোগ তৈরি হলেও ওয়াশিংটন বলেছে, পূর্ণাঙ্গ কোন চুক্তির আগ পর্যন্ত পিয়ংইয়ংয়ের ওপর দেয়া সব নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। ওসিএন ও টি স্পেশালিস্ট নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে উত্তর কোরিয়ায় অবৈধভাবে পণ্য সরবরাহের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।