• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৭ আশ্বিন ১৪২৬, ২২ মহররম ১৪৪১

‘আমাকে মেরে ফেলা হোক চায় মোদি’

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , বুধবার, ২২ মে ২০১৯

image

অরবিন্দ কেজরিওয়াল

দু’দিন আগে (শনিবার) ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তার হাতে খুন হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে বিতর্ক উসকে দিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এরই অংশ হিসেবে সোমবার সেই আশঙ্কার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চাইছেন, তাকে হত্যা করা হোক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে দেয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন কেজরিওয়াল।

দিল্লি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হওয়ায় সেখানকার পুলিশ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন। সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে নিজের নিরাপত্তায় পূর্ণ রাজ্য শাসনের দাবি তোলেন কেজরিওয়াল। এ দাবি তোলার সময়ে তিনি ব্যক্তিগত কর্মকর্তার হাতে খুন হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন। কেজরিওয়ালের আশঙ্কার জবাবে বিজেপির জেষ্ঠ্য নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিজয় গোয়েল এক টুইটার বার্তায় হিন্দিতে লেখেন, ‘আমি মর্মাহত এই কারণে যে, নিজের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করার মধ্য দিয়ে আপনি দিল্লি পুলিশের নামে দুর্নাম ছড়ালেন। ভালো হয়, যদি আপনি নিজেই আপনার নিরাপত্তা কর্মকর্তা বেছে নেন। সহায়তার দরকার হলে আমাকে বলতে পারেন। আপনার দীর্ঘায়ু কামনা করছি।’

বিজয় গোয়েল এমন পোস্টের জবাবে টুইটারে কেজরিওয়ালও হিন্দিতে লেখেন, ‘জনাব বিজয়, আমার নিরাপত্তা কর্মকর্তা নয় বরং মোদিই চায় আমাকে মেরে ফেলা হোক।’ এর আগে পাঞ্জাবভিত্তিক একটি টেলিভিশনে কেজরিওয়াল আশঙ্কা প্রকাশ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মতো তিনিও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তার হাতে খুন হতে পারেন। কেজরিওয়ালের এ বক্তব্য আলোচনায় উঠে এলে দিল্লি বিজেপির পক্ষ থেকে পাঠানো এক চিঠিতে পুলিশকে কেজরিওয়ালের নিরাপত্তা বেষ্টনী উঠিয়ে নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। দিল্লি বিজেপির মুখপাত্র প্রবীন শঙ্কর কাপুরের পাঠানো ওই চিঠিতে পুলিশের উদ্দেশে বলা হয়, তারা যেন মুখ্যমন্ত্রীকে তার মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে বলেন। চলতি মাসের শুরুতে একটি শোভাযাত্রায় (রোডশোতে) এক ব্যক্তি আচমকা কেজরিওয়ালের কাছে এসে তাকে চড় মারার পর নিরাপত্তা ঘাটতির অভিযোগ তোলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল। পুলিশের দাবি ছিল, হামলাকারী ছিল হতাশ এক আম আদমি সমর্থক। তবে কেজরিওয়ালের দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়, ওই হামলায় বিরোধীদের মদদ ছিল। পরে কেজরিওয়াল অভিযোগ তোলেন, নিরাপত্তা বেষ্টনী অতিক্রম করে তার ওপর ধারাবাহিক হামলার ঘটনাই ইঙ্গিত করছে এটা ‘বিজেপির ষড়যন্ত্র’।