• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০ মহররম ১৪৪২, ১১ আশ্বিন ১৪২৭

হুয়াওয়েকে তহবিল যোগায় চীনের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সংস্থা

দাবি সিআইএ’র

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , রোববার, ২১ এপ্রিল ২০১৯

image

চীনা টেলিকম জায়ান্ট হুয়াওয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই পশ্চিমা বিশ্বে অস্বস্তিতে রয়েছে। এরইমধ্যে খোদ চীনের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সংস্থা এ প্রতিষ্ঠানটিকে অর্থ সহায়তা দিয়ে থাকে বলে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ দাবি করেছে। শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম রয়টার্স। সিআইএ জানায়, হুয়াওয়েকে অর্থের যোগান দেয় চীনের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কমিশন, দ্য পিপলস লিবারেশন আর্মি এবং চীনা গোয়েন্দা নেটওয়ার্কের তৃতীয় একটি শাখা।

বিশ্বে টেলিকম সামগ্রীর সর্ববৃহৎ উৎপাদক প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে চীনা প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আনার পরই বিশ্বজুড়ে চাপের মুখে পড়ে হুয়াওয়ে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, বেইজিং হুয়াওয়ের যন্ত্রাংশকে রাষ্ট্রীয় গুপ্তচরবৃত্তির কাজে ব্যবহার করে। চীন সরকারের হয়ে বিশ্বব্যাপী এ কাজ পরিচালনা করে হুয়াওয়ে। এর আগে চলতি বছরের শুরুর দিকে পোল্যান্ডে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে হুয়াওয়ের এক চীনা কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়। তবে পরে ওই কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করে প্রতিষ্ঠানটি। ওয়াং ওয়েজিং নামের ওই ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানটির একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন। হুয়াওয়ের পক্ষ থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওয়াং ওয়েজিং তার ‘ব্যক্তিগত কারণে’ গ্রেফতার হয়েছেন। এ ঘটনা বিশ্বজুড়ে হুয়াওয়ের সুনাম ক্ষুণœ করেছে। ২০১২ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে হুয়াওয়ের কার্যক্রম পরিচালনা নিষিদ্ধ করা হয়। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দফতর হোয়াইট হাউজের গোয়েন্দা কমিটির পক্ষ থেকে হুয়াওয়ের নিরাপত্তা ঝুঁকি সংক্রান্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই এ পদক্ষেপ নেয়া হয়। হুয়াওয়ের গুপ্তচরবৃত্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও আশঙ্কা রয়েছে। সম্প্রতি পোল্যান্ডের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির স্থানীয় কার্যালয়ে তল্লাশি চালিয়েছে দেশটির কর্মকর্তারা। নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়াও তাদের ফাইভ-জি মুঠোফোন নেটওয়ার্ক তৈরির প্রকল্পে হুয়াওয়েকে যুক্ত না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারির ব্যবস্থা থাকার আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল।

পরে ইরানের বিরুদ্ধে থাকা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করে আর্থিক লেনদেনের প্রকল্প তৈরিতে যুক্ত থাকার ঘটনায় অভিযুক্ত হয় হুয়াওয়ে। এরই ধারবাহিকতায় গত ১ ডিসেম্বর মার্কিন অনুরোধে কানাডায় গ্রেফতার করা হয় প্রতিষ্ঠানটির অর্থ বিষয়ক প্রধান কর্মকর্তা (সিএফও) মেং ওয়ানঝুকে।

তিনি হুয়াওয়ের প্রতিষ্ঠাতার মেয়ে ও তার উত্তরাধিকারী। এর জবাবে কানাডাকে চরম মূল্য দিতে হবে হুঁশিয়ারি জানায় চীন। তারা চীনে থাকা কানাডার কমপক্ষে ১৩ জনকে আটক করেছে। বর্তমানে মেং কানাডায় জামিনে রয়েছেন। কিন্তু তাকে পায়ে নজরদারি বেল্ট পরে থাকতে হয়। তার চলাচলের ওপরও বিধি-নিষেধ রয়েছে।