• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ১৪ ফাল্গুন ১৪২৪, ৯ জমাদিউস সানি ১৪৩৯

সিরিয়ায় রাশিয়ার তৈরি ট্যাঙ্ক ধ্বংস করেছে মার্কিন ড্রোন

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক

| ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

image

সিরিয়ায় রাশিয়ার তৈরি একটি টি-৭২ ট্যাঙ্ক ধ্বংস করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি ড্রোন (চালকবিহীন বিমান)। গত রোববার ট্যাঙ্কটি ধ্বংস করা হয়েছে বলে মঙ্গলবার মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। সিরিয়ার সরকারপন্থি বাহিনীর বিরুদ্ধে ‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’ চালিয়ে ট্যাঙ্কটি ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তারা।

সিরিয়ার আল তাবিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ব্যবহার করে ট্যাঙ্কটিকে ধ্বংস করা হয়। এ ঘটনায় মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী বা তাদের সমর্থিত সিরীয় বিদ্রোহী বাহিনীর কেউ নিহত হয়নি বলে দাবি করেছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে সিরিয়ার সরকারপন্থি বাহিনীর বিরুদ্ধে এটি দ্বিতীয় মার্কিন হামলা। এর আগে গত ৭ ফেব্রুয়ারি রাতে মার্কিন জোট বাহিনী ও জোট বাহিনীর সমর্থিত বিদ্রোহী বাহিনী সিরিয়ার সরকারপন্থি বাহিনীর বড় ধরনের একটি হামলা প্রতিহত করে বলে দাবি মার্কিন পক্ষের। এতে সরকারপন্থি বাহিনীর শতাধিক যোদ্ধা নিহত হন বলে দাবি করেছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। মধ্যপ্রাচ্যে নিযুক্ত মার্কিন বিমানবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল জেফরি হারিগিয়ান এক সংবাদ সম্মেলনে এসব বর্ণনা দেন। ট্যাঙ্কটি কারা চালাচ্ছিল বলে তিনি মনে করেন, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে কোন জবাব দেননি তিনি। কিন্তু পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় সিরীয় সরকারি বাহিনীর কমপক্ষে দুই যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। কামানের গোলাবর্ষণের ছত্রছায়ায় এগোতে থাকা ট্যাঙ্কাটি যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত বাহিনীর ফায়ারিং রেঞ্জের মধ্যে পৌঁছে যাওয়ার পর তারা ট্যাঙ্কটিকে ধ্বংস করে বলে দাবি মার্কিন সামরিক বাহিনীর।

তবে এ ঘটনাকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে করছেন না মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস। তিনি বলেন, ‘হতে পারে ঘটনাটি শুধু স্থানীয় দুই ব্যক্তির মধ্যে সংঘটিত কিছু।

এটিকে বড় কোন হামলা বলে মহিমান্বিত করতে চাই না আমি।’ এদিকে জেনারেল হারিগিয়ান জানিয়েছেন, যুদ্ধক্ষেত্রে থাকা মার্কিন বাহিনীগুলো বিমান হামলার জন্য জোট বাহিনীকে ডেকে পাঠায়, তিন ঘণ্টা ধরে চলা ওই অভিযানে এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান, এমকিউ-৯ ড্রোন, বি-৫২ বোমারু বিমান, এসি-১৩০ গানশিপ এবং এএইচ-৬৪ অ্যাপাচি হেলিকপ্টার অংশ নিয়েছে। তিনি আরও বলেছেন ‘শত্রু বাহিনী মোড় নিয়ে পশ্চিম দিকে পশ্চাদপসরণ করার পর আমরা হামলা বন্ধ করি।’ এসব ঘটনা থেকে আভাস পাওয়া যাচ্ছে, সিরিয়ার তেলসমৃদ্ধ পূর্বাঞ্চলে এ ধরনের আরো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে। এ এলাকায় ইসলামপন্থি জঙ্গি সংগঠন আইএসের (ইসলামিক স্টেট) বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত কুর্দিদের জোট সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেস (এসডিএফ) এবং আরব বেসামরিক বাহিনী বিশাল এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। অন্যদিকে রাশিয়া ও ইরান সমর্থিত শিয়া বেসামরিক বাহিনীগুলোর সমর্থন পাওয়া প্রেসিডেন্ট বাশার বলেছেন, তিনি সিরিয়ার প্রতিটি ইঞ্চি পুনরুদ্ধার করতে চান।